• শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০৮:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
পাটের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম কৃষকদল নেতার মৃত্যু: ঝিনাইদহে লাশ নিয়ে বিএনপির বিক্ষোভ, স্ট্রোকের দাবি জামায়াতের বিরলে ০৮ নং ধর্মপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ছাত্রনেতার যৌথ উদ্যোগে ৫০০ দরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ সখীপুরে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে হামলার আসামি অন্তর আহমেদ গ্রেপ্তার বিরল উপজেলা বিএনপি ও পৌর বিএনপি’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জ উল্লাপাড়ায় ট্রেনের ধাক্কায় দুই যুবকের মৃত্যু সখিপুর টাইগার ক্লাব আয়োজিত ইফতার ও দ্বি বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত মঠবাড়িয়ায় ব্ল্যাকমেইল চক্রের ফাঁদে ব্যবসায়ী, নগ্ন ভিডিও করে মুক্তিপণ দাবি জাতীয় স্মৃতিসৌধে স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকারের শ্রদ্ধা নিবেদন নড়াইলে ছাগলকে বাঁচাতে গিয়ে ট্রেনে কাঁটা পড়ে বৃদ্ধ নিহত

ড্রেজার দিয়ে বালু তুলে মরণফাঁদ তৈরি- গর্তে পরে শিশু মৃত্যুর প্রতিবাদে মানববন্ধন

এম এ মোমিন, ক্রাইম রিপোর্টার: / ২০১ Time View
Update : বুধবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৫

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল কুলিক নদীতে ড্রেজার দিয়ে বালু তুলে মরণ ফাঁদ তৈরি হয়েছে। আর সেই মরণ ফাঁদের গর্তে পরে গত ২৪ শে আগস্ট সায়ান নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তারই প্রতিবাদে আজ মানববন্ধন করেছে নিহত সায়ানের পরিবার ও স্থানীয়রা। এসময় মানববন্ধন করতে বাঁধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে।

বুধবার ২৭- শে আগস্ট দুপুরে রাণীশংকৈল উপজেলা পরিষদের সামনে উক্ত মানববন্ধনটি অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাব-ঠিকাদার মতিউর রহমান ও ইউএনও শাফিউল মাজলুবিন রহমানের অনিয়মের বলি হয়েছে নিহত সায়ান। উত্তরগাঁও এলাকা দিয়ে বয়ে যাওয়া কুলিক নদীতে অবৈধ ভাবে বালু তোলায় সেই অংশটি ব্যাপক ঝুকিপূর্ণ এবং অনিরাপদ অবস্থায় রয়েছে। তবুও কার্যত ব্যবস্থা নেয়নি ইউএনও। উল্টো মারন ফাঁদ তৈরি করে এলাকাবাসীকে বিপদে ফেলে রেখেছেন তিনি। এ বিপদ রক্ষায় দ্রুত তাকে ব্যবস্থা নিতে হবে।

তারা আরো বলেন, রক্ষক (ইউএনও) যদি ভক্ষক হয় তাহলে আমাদের রক্ষা করবে কে? যেখানে ড্রেজার দিয়ে নদী থেকে বালু তোলার অপরাধে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ অনুযায়ী ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা। কিন্তু ইউএনও উল্টো ঠিকাদারের ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করে রামরায় পুকুরে নিয়ে ফেলেছেন। আর সেই নদীর পারে খেলতে গিয়ে শায়ান আহাম্মদ ড্রেজারের বালু তোলা গর্তে পড়ে পানির নিচে তলিয়ে যায়। পরে ড্রেজার মেশিনের লোকজন তাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে।

নিহত শায়ানের মা-বাবা জানান, আমার ছেলের বিনিময়ে আমি কিছু চাইনা, যাদের অবহেলায় আমার সন্তানটি মারা গেছে তাদের বিচার চাই।

আর এ বিষয় জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাফিউল মাজলুবিন রহমানের কার্যালয়ে ৩ ঘন্টা অপেক্ষা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। এবং মুঠো ফোনে একাধিক বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন সিরিভ করেননি। পরবর্তিতে আবারো যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন অসুস্থ্য থাকায় অফিস করতে সমস্যা হচ্ছে। এর বাইরে তিনি কোন কথা বলতে রাজি হয়নি।

পরে ইউএনও কার্যালয়ের অন্যান্যদের সাথে কথা বলে জানা গেছে তিনি প্রায়ই অফিসে থাকেননা।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানা মুঠোফোনে জানান, ঘটনাটি আমি শুনেছি। শিশুর মৃত্যুর ঘটনাটি অনন্ত দুঃখজনক। তবে ইউএনও বলেছেন সে বালু কিনে নিয়েছে। ইভার ব্যাংক প্রটেকশন প্রকল্পের আওতায় কনটাক্টরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি যদি ড্রেজারের মাধ্যমে নদী থেকে বালু তোলে থাকে সেটি বে-আইনি নির্বাহি প্রকৌশলী কে দায়িত্ব দিয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য।

উল্লেখ্য, গেল ২৪ আগস্ট ওই উপজেলার কুলিক নদীর তীরে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের গর্তে পরে মারা যায় শিশু সায়ান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/