• শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০৫:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
পাটের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম কৃষকদল নেতার মৃত্যু: ঝিনাইদহে লাশ নিয়ে বিএনপির বিক্ষোভ, স্ট্রোকের দাবি জামায়াতের বিরলে ০৮ নং ধর্মপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ছাত্রনেতার যৌথ উদ্যোগে ৫০০ দরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ সখীপুরে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে হামলার আসামি অন্তর আহমেদ গ্রেপ্তার বিরল উপজেলা বিএনপি ও পৌর বিএনপি’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জ উল্লাপাড়ায় ট্রেনের ধাক্কায় দুই যুবকের মৃত্যু সখিপুর টাইগার ক্লাব আয়োজিত ইফতার ও দ্বি বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত মঠবাড়িয়ায় ব্ল্যাকমেইল চক্রের ফাঁদে ব্যবসায়ী, নগ্ন ভিডিও করে মুক্তিপণ দাবি জাতীয় স্মৃতিসৌধে স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকারের শ্রদ্ধা নিবেদন নড়াইলে ছাগলকে বাঁচাতে গিয়ে ট্রেনে কাঁটা পড়ে বৃদ্ধ নিহত

নওগাঁর নিয়ামতপুর চাকলা সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়ে শেলিং ফ্যানের আঘাতে ২ শিক্ষিকা আহত

উজ্জ্বল কুমার জেলা প্রতিনিধি নওগাঁঃ / ৯৪ Time View
Update : বুধবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৫

নওগাঁর নিয়ামতপুরে চাকলা সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়ে অফিস কক্ষে ছাদের রডের হুক পলেস্তারা খসে ফ্যান খুলে শিক্ষকদের ওপর পড়েছে।

এতে প্রতিষ্ঠানটির দুই নারী শিক্ষক আহত হয়েছেন। আজ ২৭ আগাষ্ট বুধবার দুপুরে উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের বাদে চাকলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

আহত শিক্ষকেরা হলেন মোসলেমা খাতুন (৩০) ও রশিদা পারভীন (৪৬)। তাঁরা প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে নিজ নিজ বাড়িতে বিশ্রামে রয়েছেন।
স্কুল সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যালয়ের একতলা ভবনটি ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে নির্মিত হয়। বর্তমানে ভবনটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। ফলে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়াও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
আহত শিক্ষিকা মোসলেমা খাতুন বলেন, ‘অফিস কক্ষে শিক্ষকেরা পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন করছিলেন। হঠাৎ বিকট শব্দ করে ফ্যানটি আমার ওপর পড়ে। এতে আমি ও রশিদা ম্যাডাম আহত হই। আমাদের মাঝে এক ধরনের আতঙ্ক বিরাজ করছে।’

প্রধান শিক্ষক মাহেদুর রহমান বলেন, ‘ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে ক্লাস নেওয়ার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অনেক দিন ধরেই ভবনটির বিষয়ে জানানো হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকেও দেখানো হয়েছে। আশ্বাস ছাড়া কোনো কিছুই জোটেনি এখন পর্যন্ত।’ তিনি বলেন, স্কুলে প্রাক্‌-প্রাথমিক থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত ১২৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। বর্তমানে ভবনটির জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে,

যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। ছাদের বিভিন্ন জায়গায় সামান্য বৃষ্টি হলেই দেয়াল ও ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (দায়িত্বরত) আব্দুল হান্নান বলেন, ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভবনটি অত্যন্ত নাজুক হয়ে পড়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন ভবনের চাহিদাও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত নতুন তালিকায় তাঁদের নাম না আসায় অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. মুর্শিদা খাতুন বলেন, ‘বিষয়টি প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার মাধ্যমে জানতে পেরেছি। যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি জানানো এবং কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/