সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার তেকানী ইউনিয়নের একজন আদর্শবান, সংগ্রামী এবং ত্যাগী রাজনীতিক হিসেবে পরিচিত নাম মোঃ শহিদুল ইসলাম বাবু। তিনি ছিলেন কাজিপুর উপজেলা বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। রাজনৈতিক দায়িত্ব, নিষ্ঠা ও দলীয় আদর্শের প্রতি অটল থাকার কারণে তিনি কাজিপুরের রাজনীতিতে একজন শক্তিশালী মুখ হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছেন।
ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির প্রতি ঝোঁক
তেকানী ইউনিয়নের একটি সাধারণ পরিবারে জন্ম নেওয়া বাবু ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল দিয়ে তার রাজনৈতিক পথচলা শুরু। সময়ের পরিক্রমায় উপজেলা বিএনপি’র গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আসীন হন তিনি।
দলের দুঃসময়ে নির্ভরতার প্রতীক
বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রামের সময়, দমন-পীড়নের মধ্যেও মোঃ শহিদুল ইসলাম বাবু দলের হয়ে মাঠে ছিলেন অটল। তিনি নেতাকর্মীদের মনোবল চাঙ্গা রাখতেন, সুসংগঠিত করতেন এবং দলীয় কর্মকাণ্ডে নিরন্তর সক্রিয় ভূমিকা রাখতেন।
“দুঃসময়ে দলকে সুসংগঠিত রাখতে তিনি নেতাকর্মীদের পাশে থেকেছেন ছায়ার মতো। ভয়, হুমকি কিংবা মামলার তোয়াক্কা না করে দিনরাত পরিশ্রম করেছেন—বিএনপির পতাকা যেন কখনও মলিন না হয় কাজিপুরের মাটিতে।”
সমাজসেবায় অগ্রণী ভূমিকা
রাজনীতির পাশাপাশি মোঃ শহিদুল ইসলাম বাবু তেকানী ইউনিয়নের সামাজিক ও ধর্মীয় উন্নয়নেও রাখেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান। দরিদ্রদের পাশে দাঁড়ানো, মসজিদ-মাদ্রাসা উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের সহায়তা এবং অসহায় পরিবারকে সহযোগিতা করাই ছিল তাঁর প্রতিদিনের কাজের অংশ।
তেকানীর গর্ব, প্রজন্মের অনুপ্রেরণা
রাজনীতি তার কাছে ছিল দায়িত্ব, ক্ষমতা নয়। সততা, ত্যাগ ও কর্মনিষ্ঠায় গড়া জীবন আজকের প্রজন্মের কাছে হয়ে উঠেছে একটি আদর্শ। তাঁর জীবনকাহিনি স্থানীয় তরুণ রাজনীতিকদের জন্য অনুপ্রেরণার বাতিঘর।
শেষকথা: মোঃ শহিদুল ইসলাম বাবু শুধু একজন রাজনীতিক নন—তিনি একজন সমাজকর্মী, একজন আদর্শবান পথপ্রদর্শক। তেকানী ইউনিয়নের মানুষের মুখে মুখে তার নাম শ্রদ্ধার সঙ্গে উচ্চারিত হয়।
https://slotbet.online/