টাঙ্গাইল জেলার সখিপুর থানাধীন কালিয়া ইউনিয়নে পূর্ব ঘোনারচালা এলাকায় আমেনা বেগম (৪৫) হত্যা মামলা রুজুর ১২ ঘন্টার ভিতরে মামলার মূল রহস্য উদঘাটন ও হত্যার সাথে জড়িত প্রধান আসামী গ্রেফতার।
১৬ এপ্রিল বুধবার রাত অনুমান ১০:০০ ঘটিকার সময় আমিনা বেগম (৪৫) স্বামী-দুলাল হোসেন, গ্রাম কালিয় ঘোনারচালা, আমেনা বেগম তাহার ছেলে এবং মেয়ের সাথে রাতের খাবার শেষ করে তাহার দেবরদের সাথে কোরবানীর বিষয়ে কথা বলবে বলে সন্তানদ্বয়কে বাড়িতে রেখে তার দেবরদের বাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাহির হয়। তার ২ সন্তান ঘুমিয়ে পরলে ১৭ এপ্রিল বৃহস্পতিবার ভোর আনুমানিক ৫:৩০ ঘটিকার সময় আমেনা বেগম এর মেয়ে লিতু আক্তার ঘুম থেকে উঠে তার মাকে বিছানায় দেখতে না পেয়ে তার মা বাহিরে গেছে মনে করে তাদের বাড়ির গেইটে যাইয়া দেখতে পায় যে, তাহাদের বাড়ির পশ্চিম পাশে ধান ক্ষেতের পূর্বপাড়ে ঘাসের উপর তার মায়ের লাশ গলায় ওড়না পেচানো অবস্থায় পরে আছে। উক্ত বিষয়ে আমেনা বেগমের মেয়ে লিতু আক্তার (২৫) পিতা-দুলাল হোসেন, মাতা-মৃত আমিনা বেগম, কালিয়া ঘোনারচালা, ইউনিয়ন-কালিয়া, থানা-সখিপুর, জেলা- টাঙ্গাইল এজাহার দায়ের করিলে সখিপুর থানার মামলা নং-১৪ তারিখ-১৭ এপ্রিল বৃহস্পতিবার ধারা-৩০২ পেনাল কোড রুজু করা হয়।
উক্ত ঘটনাটি চাঞ্চল্যকর হওয়ায় টাঙ্গাইল জেলার সখিপুর থানার একটি চৌকস টিম দ্রুত মামলার রহস্য উদঘাটন ও আসামী গ্রেফতার করার জন্য নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে টাঙ্গাইল জেলার টাঙ্গাইল সদর থানাধীন করটিয়া এলাকা হইতে হত্যার সাথে জড়িত একমাত্র আসামী মোঃ এনামুল হক (৪১) পিতা-মোঃ হযরত আলী, মাতা-মোছাঃ আমেনা বেগম গ্রাম ঘোগাদহ, থানা-কুড়িগ্রাম সদর,জেলা-কুড়িগ্রামকে গ্রেফতার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উক্ত আসামী আমেনা বেগমকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে।
সখিপুর থানার অফিসার্স ইনচার্জ জাকির হোসেন বলেন গ্রেফতারকৃত আসামীকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন আছে।
https://slotbet.online/