আজ (শুক্রবার) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নব নিযুক্ত স্পীকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এরপর জাতীয় সংসদের নব নিযুক্ত ডেপুটি স্পীকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন।
এসময় তাঁরা কিছুক্ষণ নিরবতা পালন করে শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। এরপর স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার উভয়ে পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
এসময় স্পীকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম গণমাধ্যমকে বলেন, জাতীয় স্মৃতিসৌধ একটি পবিত্রতম স্থান যা বাংলাদেশের স্বাধীনতার ধারক ও বাহক। এখানে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান বোধ করছি ও অনুপ্রাণিত হয়েছি।
গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে যারা অংশগ্রহণ করে শহীদ হয়েছেন তাদের রুহের মাগফেরাত কামনা করছি।
তিনি বলেন, আমি নিজেও মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলাম এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অধীনে রণাঙ্গনে যুদ্ধ করার সৌভাগ্য হয়েছে। যুদ্ধে আমি আহত হয়েছি।
শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি গত ১৭ বছর বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক কর্মী, ছাত্র, অভিভাবকসহ নানা শ্রেণী-পেশার মানুষ যারা মাফিয়া সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে স্বৈরাচারী সরকারকে উৎখাত করতে গিয়ে শহীদ হয়েছেন।
বর্তমান সংসদ কেমন হবে এ প্রসঙ্গে স্পীকার বলেন, জনগনের ভোটে নির্বাচিত প্রকৃত এ সরকার মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্যসমূহ সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার বাস্তবায়ন ও জনগনের আশা আকাঙ্ক্ষা পূরণের মাধ্যমে একটি সুখী, সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠন করবে বলে আমি বিশ্বাস করি এবং সংসদ হবে তার কেন্দ্রবিন্দু।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি জাতীয় সংসদে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য দল থেকে পদত্যাগ করেছি। বিরোধী দল সংসদে যথেষ্ট সুযোগ পাবে। স্বৈরাচার হটানোর আন্দোলনে আমরা একই সাথে ছিলাম। তাঁদের প্রতি আমাদের যথেষ্ট সহনশীলতা রয়েছে। সংসদ পরিচালনায় আমার ভূমিকা হচ্ছে ক্রিকেট খেলায় আম্পায়ারের মত নিরপেক্ষ অবস্থান।
এসময় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব, সার্জেন্ট এ্যাট আর্মসসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা- কর্মচারীবৃন্দ ও বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।
https://slotbet.online/