• শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বিরলে ০৮ নং ধর্মপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ছাত্রনেতার যৌথ উদ্যোগে ৫০০ দরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ সখীপুরে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে হামলার আসামি অন্তর আহমেদ গ্রেপ্তার বিরল উপজেলা বিএনপি ও পৌর বিএনপি’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জ উল্লাপাড়ায় ট্রেনের ধাক্কায় দুই যুবকের মৃত্যু সখিপুর টাইগার ক্লাব আয়োজিত ইফতার ও দ্বি বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত মঠবাড়িয়ায় ব্ল্যাকমেইল চক্রের ফাঁদে ব্যবসায়ী, নগ্ন ভিডিও করে মুক্তিপণ দাবি জাতীয় স্মৃতিসৌধে স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকারের শ্রদ্ধা নিবেদন নড়াইলে ছাগলকে বাঁচাতে গিয়ে ট্রেনে কাঁটা পড়ে বৃদ্ধ নিহত ঝিনাইদহে ২ টাকায় ইফতার বিতরণ কলারোয়ায় আমের মুকুলে চাষীদের বাম্পার ফলনের আশা

লাল খান উচ্চ বিদ্যালয়ে অতিরিক্ত রেজিস্ট্রেশন ফিস আদায়ের অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস ইউএনও’র

মোঃ কামরুল হাসান লিটন: স্টাফ রিপোর্টার / ৭৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

মোঃ কামরুল হাসান লিটন: স্টাফ রিপোর্টার ( ময়মনসিংহ) – ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার রামগোপালপুর ইউনিয়নের লাল খান উচ্চ বিদ্যালয়-এ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নির্ধারিত হারের চেয়ে অতিরিক্ত রেজিস্ট্রেশন ফিস আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। ভাউচার বা অফিসিয়াল রসিদ ছাড়াই অর্থ আদায়ের ঘটনায় অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিদ্যালয়ে রেজিস্ট্রেশন ফিস জমা দিতে গেলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কাছ থেকে কোনো সরকারি রসিদ না দিয়ে সাদা কাগজে ৫০০ টাকা লিখে অর্থ গ্রহণ করা হয় বলে অভিযোগ করেন তারা। এতে অনেক অভিভাবক ফিস না দিয়েই বিদ্যালয় ত্যাগ করেন।
ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী নুহার অভিভাবক আসমানী আক্তার বলেন, রেজিস্ট্রেশন ফিস হিসেবে ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে, কিন্তু কোনো রসিদ দেওয়া হয়নি।
একই অভিযোগ করে বৃষ্টি আক্তারের অভিভাবক আকাশ মিয়া বলেন, “প্রতিবারই এভাবে টাকা নেওয়া হয়। অভিযোগ করেও কোনো ফল না পেয়ে বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েছি।”
বিশ্বনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা শহিদুল্লাহ জানান, এর আগেও বই বিক্রি নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল, কিন্তু সেসবের কোনো সুরাহা হয়নি। তাই এবার প্রতিবাদ করেও লাভ হবে না ভেবে চুপ ছিলেন।
এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, রেজিস্ট্রেশন ফিস সাধারণত ১৫০ থেকে ২০০ টাকার মধ্যে হওয়ার কথা। এর বেশি নেওয়ার কোনো বিধান নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।
অভিযোগের বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মঞ্জুরুল হক ৫০০ টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ভর্তির সময় কোনো টাকা নেওয়া হয়নি বলেই রেজিস্ট্রেশন বাবদ এই অর্থ নেওয়া হয়েছে। তবে ভাউচার বা অফিসিয়াল রসিদ না দেওয়ার বিষয়ে তিনি স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফিয়া আমিন পাপ্পা বলেন, “রেজিস্ট্রেশন ফিস হিসেবে ৫০০ টাকা নেওয়ার কোনো বিধান নেই। অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের প্রমাণ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অভিভাবকদের দাবি, দ্রুত তদন্ত করে নির্ধারিত ফিসের বাইরে আদায় করা অর্থ ফেরত দিতে হবে এবং ভবিষ্যতে এমন অনিয়ম বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/