আবু বক্কর সিদ্দিক স্বপন : পড়ালেখা শেষ করে সময়ের প্রয়োজনে কেউ চাকরি, কেউ ব্যবসা-বাণিজ্য, আবার কেউবা পাড়ি জমিয়েছেন প্রবাসে। ব্যস্ত জীবনের চাপে বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ যখন ধীরে ধীরে বিচ্ছিন্ন হতে শুরু করে, ঠিক তখনই বন্ধুত্বের ঐক্য ধরে রাখতে এক ভিন্ন উদ্যোগ নেন ০৭/০৯ ব্যাচের বন্ধুরা।
বন্ধুর সাথে বন্ধুর পথ, পাড়ি দেবো হোক শপথ—এই স্লোগানকে সামনে রেখে শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি ২০২৬) ঝিনাইদহের জোহান ড্রিম ভ্যালি পার্ক এন্ড রিসোর্টে দিনব্যাপী মিলনমেলার আয়োজন করে এসএসসি ২০০৭ ও এইচএসসি ২০০৯ ব্যাচের বন্ধুরা।
মিলনমেলাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ঝিনাইদহে আসতে শুরু করেন বন্ধুরা। জমে ওঠে জি টু জি মিলনমেলা প্রাঙ্গণ। শুক্রবার সকাল থেকেই শুরু হয় মূল আয়োজন। একে অপরের সঙ্গে পরিচিত হওয়া, পুরোনো স্মৃতি রোমন্থন, ছবি তোলা, সেলফি, আড্ডা, গল্প, নাচ ও গানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো মিলনমেলা।
এক হাজারেরও বেশি বন্ধুর উপস্থিতিতে মিলনমেলাটি রূপ নেয় স্মৃতিময় উৎসবে। দীর্ঘদিন পর পুরোনো দিনের আড্ডা ও বন্ধুত্বের উষ্ণতায় ফিরে যান অংশগ্রহণকারীরা।
বরগুনা থেকে আগত ০৭/০৯ বন্ধু মাইনুল ইসলাম নাঈম বলেন,বন্ধুরা যেন একে অপরের থেকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন না হয়ে যায় এবং সবাই যেন বন্ধুত্বের বন্ধনে আবদ্ধ থেকে একে অপরের পাশে দাঁড়াতে পারে—এই ভাবনা থেকেই এই আয়োজন। ভবিষ্যতে যেন আরও বড় পরিসরে এমন মিলনমেলা আয়োজন করা যায়, সেই প্রত্যাশা রাখছি।
রাজশাহী থেকে আগত তসলিম জনি জানান, আমি এখানে কাউকেই ব্যক্তিগতভাবে চিনি না, আবার সবাইকেই চিনি—কারণ আমরা সবাই এসএসসি ২০০৭ ও এইচএসসি ২০০৯ ব্যাচের বন্ধু। নতুন মুখ, নতুন বন্ধু—মিলনমেলায় এসে দারুণ লাগছে।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিগত দিনের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সারা বাংলাদেশের ০৭/০৯ ব্যাচের বন্ধুদের একত্র করার লক্ষ্য থেকেই এই আয়োজন। আজকের মিলনমেলার অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে এমন আয়োজন করতে অনুপ্রেরণা জোগাবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
https://slotbet.online/