আজ ১২ ডিসেম্বর। মেহনতি মানুষের অধিকার আন্দোলনের পথিকৃৎ, আপোষহীন মহাবিদ্রোহী, মুকুটবিহীন সম্রাট মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ১৪৫তম জন্মদিন। দেশজুড়ে নানা আয়োজনে পালন করা হচ্ছে দিনটি।
শতাব্দীর সেরা সন্তান হিসেবে পরিচিত মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী (১৮৮০—১৯৭৬) ছিলেন বাংলার মেহনতি মানুষের প্রেরণার উৎস, শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে জনগণের অদম্য কণ্ঠস্বর। আজ তাঁর ১৪৫তম জন্মদিন উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন শ্রদ্ধাঞ্জলি, আলোচনা সভা, দোয়া অনুষ্ঠান এবং স্মরণসভা আয়োজন করেছে। মওলানা ভাসানী ছিলেন কেবল এক রাজনৈতিক নেতা নন; তিনি ছিলেন মানবতার অগ্নিশিখা, সাম্রাজ্যবাদবিরোধী সংগ্রামের সাহসী সেনানী, কৃষক-শ্রমিকের অভিভাবক ও নিপীড়িত মানুষের নির্ভরতার শেষ ঠিকানা। তাঁর একক নেতৃত্বে বাঙালি জাতির গণচেতনায় এনেছিল নতুন জাগরণ। তার অসাম্প্রদায়িক, মানবিক ও সমতাভিত্তিক রাজনীতি দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক ইতিহাসে অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে আছে। নেতৃত্বের মাধুর্য, ব্যক্তিগত সততা, ক্ষমতার প্রতি অনাগ্রহ এবং সাধারণ মানুষের প্রতি গভীর ভালোবাসার জন্য তিনি ‘মুকুটবিহীন সম্রাট’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
তার “কান্দে কান্দে খাইসি ভাত, আর কাঁদাইয়া ছাড়ুমু নাত”–এর মতো সংলাপ ছিল বঞ্চিত মানুষের হৃদয়ের ভাষা।
আজ তাঁর জন্মদিনে বক্তারা বলেছেন, “মওলানা ভাসানী ছিলেন গণমানুষের নেতা—ক্ষমতার নয়, সত্যের। তাঁর আদর্শ আজও সমান প্রাসঙ্গিক।”
শ্রদ্ধাঞ্জলির অংশ:
মুকুটবিহীন সম্রাট ওগো,
শতাব্দীর সেরা সন্তান—
সালাম তোমায়,
তোমায় হাজারো সালাম।
https://slotbet.online/