• রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০৪:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
জমকালো আয়োজনে দৈনিক কুমিল্লা প্রতিদিন ও পেশাজীবী সাংবাদিক সোসাইটির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির ১ম বৈঠক অনুষ্ঠিত পাটের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম কৃষকদল নেতার মৃত্যু: ঝিনাইদহে লাশ নিয়ে বিএনপির বিক্ষোভ, স্ট্রোকের দাবি জামায়াতের বিরলে ০৮ নং ধর্মপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ছাত্রনেতার যৌথ উদ্যোগে ৫০০ দরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ সখীপুরে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে হামলার আসামি অন্তর আহমেদ গ্রেপ্তার বিরল উপজেলা বিএনপি ও পৌর বিএনপি’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জ উল্লাপাড়ায় ট্রেনের ধাক্কায় দুই যুবকের মৃত্যু সখিপুর টাইগার ক্লাব আয়োজিত ইফতার ও দ্বি বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত মঠবাড়িয়ায় ব্ল্যাকমেইল চক্রের ফাঁদে ব্যবসায়ী, নগ্ন ভিডিও করে মুক্তিপণ দাবি

৫৬ বছর পর ফিরে পাচ্ছে নিবন্ধন জাতীয় লীগ, চায় লাঙ্গল প্রতিক!

সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সারঃ / ১৫৮ Time View
Update : শুক্রবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৫

বাংলাদেশ জাতীয় লীগ (বিএনএল) প্রতিষ্ঠার ৫৬ বছর পর অবশেষে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিবন্ধন পাচ্ছে। একইসঙ্গে নবগঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-কেও নিবন্ধন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি। এর ফলে দেশে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সংখ্যা দাঁড়াবে ৫৩টিতে। বাংলাদেশ জাতীয় লীগ গঠিত হয়েছিল ১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই, পাকিস্তান আমলে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী আতাউর রহমান খানের নেতৃত্বে। স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি এ দলের হয়ে ঢাকা-১৯ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তখন দলটির প্রতীক ছিল লাঙ্গল।জাতীয় লীগের বর্তমান চেয়ারম্যান মাহবুবুল আলম বলেন, ‘‘দীর্ঘদিনের পথচলার পর আমাদের দল অবশেষে নিবন্ধন পাচ্ছে। আমাদের ঐতিহাসিক প্রতীক ছিল লাঙ্গল। আতাউর রহমান খান ও প্রফেসর মফিজুল ইসলাম দুজনেই লাঙ্গল প্রতীকে নির্বাচিত হয়েছিলেন। সুতরাং এই প্রতীকের প্রকৃত দাবিদার বাংলাদেশ জাতীয় লীগ। আমরা এ প্রতীক ফেরত চাইবো ইসির কাছে।’’
তিনি আরও জানান, এক সময় লাঙ্গল প্রতীক এরশাদের জাতীয় পার্টির হাতে চলে যায়। পরে বাংলাদেশ জাতীয় লীগকে আনারস প্রতীক দেওয়া হয়, যা পরবর্তীতে অন্য দলকে বরাদ্দ হয়। বর্তমানে দলটির প্রতীক কলার ছড়ি হলেও তারা লাঙ্গল ফেরত পাওয়ার জন্য আবেদন করবে।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট
আতাউর রহমান খান শুধু জাতীয় লীগের প্রতিষ্ঠাতা নন, তিনি ছিলেন ভাষা আন্দোলন ও স্বাধিকার আন্দোলনের অন্যতম নেতা। ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে তিনি পূর্ববঙ্গ প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন এবং একই বছরে সরকারের মন্ত্রী হন। ১৯৫৬ সালে তিনি পূর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী পদে অধিষ্ঠিত হন।

স্বাধীনতার পর ১৯৭৯ সালের সংসদ নির্বাচনে তিনি আবারও জয়ী হন। পরবর্তীতে তিনি এরশাদ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হলেও এ সিদ্ধান্তের জন্য রাজনৈতিকভাবে সমালোচিত হন। তার ছেলে জিয়াউর রহমান খান বিএনপির হয়ে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য নিবন্ধন প্রথা চালু হয়। তারপর থেকে একাধিকবার আবেদন করলেও বাংলাদেশ জাতীয় লীগ নিবন্ধন পায়নি। একই তথ্য দিয়ে বারবার আবেদন করেও ব্যর্থ হওয়ার পর অবশেষে ২০২৫ সালে তারা নিবন্ধন পাচ্ছে।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, দলীয় নিবন্ধন ছাড়া কোনো রাজনৈতিক দল সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারে না। সর্বশেষ জুন মাসে জামায়াত ইসলামের নিবন্ধন পুনর্বহাল হয়। এর আগে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ায় দলটির নিবন্ধন স্থগিত করা হয়।

বাংলাদেশ জাতীয় লীগের নেতারা আশা করছেন, নিবন্ধন পাওয়ার মাধ্যমে তারা আবারও রাজনৈতিক অঙ্গনে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারবেন এবং দলটির ঐতিহাসিক প্রতীক লাঙ্গল ফিরে পাবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/