একদিকে শরীরে বুলেটের চিহ্ন আর অন্যদিকে জেলা প্রশাসকের কাছে বারবার দ্বারস্থ হয়েও গেজেটে অন্তর্ভুক্ত হতে করা হয়নি মূল্যায়ন। তারই প্রতিবাদে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ এনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসুচী পালন করেছে তালিকা বঞ্চিত জুলাই যোদ্ধারা।
রোববার ৩১- শে আগস্ট দুপুরে জুলাইযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের ব্যানারে এই মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসুচী পালন করা হয়।
মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচির অংশ হিসেবে তালিকা বঞ্চিত জুলাই যোদ্ধারা একত্রিত হয়ে জেলা শহরের পাঠাগার চত্বর থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ঠাকুরগাঁও জেলা শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেন। এবং পরবর্তীতে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে এসে প্রতিবাদ স্বরূপ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসুচি পালন করেন তারা।
এসময় তালিকা বঞ্চিত জুলাই যোদ্ধারা অভিযোগ করে বলেন, গোটা শরীরে বুলেটের চিহ্ন থাকার পরেও শুধুমাত্র জেলা প্রশাসকের অবহেলার কারনে এমআইএস ও গেজেটে প্রকৃত আহতদের অনেকেই তালিকা থেকে বাদ পরেছে। বার বার জেলা প্রশাসকের দারস্ত হয়েও কোন ভাবেই আমাদের মুল্যায়ন করা হয় নি। অথচ যারা জুলাই আগস্টে ছাত্র জনতার আন্দোলনে সম্পৃক্ত ছিলনা তাদের তালিকায় আনা হয়েছে। শুধু হাতে গোনা চার থেকে পাঁচজন জুলাই যোদ্ধা জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানা (ডিসির) পাশে বসে থাকে । শুধু তারাই কি ঠাকুরগাঁওয়ের জুলাই যোদ্ধা। যারা আন্দোলনে ছিল ডিসি তাদের ডাকেন না। ডাকেন সুবিধাবাদিদের কয়েকজনকে।
তারা অভিযোগ করে আরো বলেন, গেল কিছুদিন আগে শহরে জুলাই যোদ্ধাদের একটি অনুষ্ঠান হয়। সেখানে বরাদ্দ ছিল ৬ লাখ টাকা। সেটি কি ছয় লাখ টাকার অনুষ্ঠান ছিল তার হিসেবে চাই।
এসময় তারা বলেন, এটা আপনার বাজেট নয়। এই বাজেট ছিল সেদিন যারা আন্দোলন করেছিলেন তাদের। এই আন্দোলনে ছিল ছাত্র-জনতা, রিক্সাওয়ালা, দোকানদার, সংবাদকর্মীসহ সাধারণ জনতা। সকলে আমরা তার সঠিক হিসেব চাই। একই সাথে অবিলম্বে প্রকৃতদের মুল্যায়ন করতে হবে। অন্যথায় আরো কঠোর কর্মসুচী পালনের হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন তারা।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানা জানান, প্রকৃত জুলাইযোদ্ধাদের কাগজপত্র প্রেরণ করলে তা খতিয়ে দেখে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেয়া হবে। একই সাথে তিনি বরাদ্দকৃত অর্থ খরচের বিষয়ে সচ্ছতা রয়েছে বলে দাবি করেন।
https://slotbet.online/