বয়স্ক ভাতার টাকা চাইতে গিয়ে শশুড় হলেন ধর্ষক! নিজের মোবাইল ফোন না থাকায় ভাতিজার মোবাইল নম্বরে ভাতার টাকা আসায় সে টাকা চাইতে গেলে টাকা দিতে অস্বীকার করেন।
পরবর্তী আব্দুস সামাদ এর শয়নঘরের ধারের কাদামাটি বৃষ্টির পানি ধুয়ে যাওয়ায় কোদাল দিয়ে তোলার সময় মারপিট করেন। অতঃপর গ্রামে শালিসে সমাধান না মানায় মারপিটের ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহের মাধ্যমে বানোয়াট ধর্ষণের ঘটনা উপস্থাপন করে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে।
উপজেলার ১১নং পলাশবাড়ী ইউনিয়নের বড়বৈদ্যনাথপুর (মহপুকুর) গ্রামের মৃত পেশার মোহাম্মদের ছেলে মোঃ আব্দুস সামাদ (৮০) কে আপন ভাতিজা রবিউল ইসলামের স্ত্রী মোছাঃ ছেলিনা পারভীন (৩৪) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ৯(১) ধারা মোতাবেক বিরল থানার ১৫ অক্টোবর ২০২৪ তারিখের ১০/২০৪ নং মামলায় ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত করেছেন।
বিরল থানার তৎকালীন ওসি (তদন্ত) মোঃ রবিউল ইসলাম ২৩ মার্চ ২০২৪ তারিখে ৫৪ নং অভিযোগপত্রে আব্দুস সামাদকে প্রাথমিকভাবে অভিযুক্ত প্রমান করেন। এরপর গত ২৮ জুলাই ২০২৫ সোমবার বিকালে আব্দুস সামাদকে পুলিশ গ্রেফতার করে ২৯ জুলাই ২০২৫ মঙ্গলবার আদালতে সোপর্দ করে জেলহাজতে প্রেরণ করে।
প্রতিবেশি মনিরা বেগম, সাবিনা, সানোয়ারা, শুকুরু মোহাম্মদ,সাকিব বাবু, বাবুল হোসেন ও আলমসহ স্থানীয়রা প্রতিবেদককে জানান, সামান্য মারামারির বিষয়ে শালিস করে মিমাংসা হয়েছে। অথচ ঐ মশালিস মিমাংসা না মেনে বানোয়াট মামলা করা হয়েছে আমরা কেউ ঘটনা তো দূরে থাক মামলার তথ্যটাও জানিনা। আব্দুস সামাদকে পুলিশ নিয়ে যাওয়ার পর জানতে পেরেছি। যে আব্দুস সামাদের থাকার ঘরটি মেরামতের সামর্থ্য নাই, সে এই বানোয়াট মামলা মোকাবিলা করবে কিভাবে? তাই আপন ভাতিজার স্ত্রীর দায়ের করা মিথ্যা মামলায় আশি বছরের বৃদ্ধর হাজতবাসের প্রতিবাদে পরিবারসহ এলাকাবাসী পূণরায় তদন্তের মাধ্যমে সত্য ঘটনা উদঘাটনপূর্বক প্রকৃত দোষীর উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি।
https://slotbet.online/