নড়াইল : ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নড়াইল-১ (কালিয়া উপজেলা ও সদর উপজেলার আংশিক) আসনে সংসদ সদস্য (এমপি) প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বিএনপি ও জিয়া পরিষদ নেতা অধ্যাপক (অব.) বি.এম. নাগিব হোসেন।নড়াইলের কালিয়া উপজেলার নড়াগাতি থানাধীন দক্ষিণ যোগানিয়া গ্রামের কৃতি সন্তান জগন্নাথ বিশ^বিদ্যালয়ের অধ্যাপক নাগিব হোসেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির প্রয়াত সদস্য, জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ন সাধারন সম্পাদক, প্রখ্যাত শ্রমিক নেতা বাংলাদেশ ব্যাংকস এমপ্লয়ীজ ফেডারেশন ও সোনালী ব্যাংক এমপ্লয়ীজ এসোসিয়েশনের প্রয়াত সভাপতি বি.এম বাকির হোসেনের ছোট ভাই।অবহেলিত নড়াগাতী থানাকে পূর্নাঙ্গ উপজেলায় উন্নীতকরণ, মহাজন-বড়দিয়া ফেরিঘাটে নবগঙ্গা নদীর উপর সেতু নির্মাণ, কালিয়ার বারইপাড়া ঘাটে নির্মাণাধীন সেতুর কাজ দ্রæত সমাপ্তকরণ, খাশিয়াল ইউনিয়নের ময়নাপাড়া ঘাটে মধুমতি নদীর উপর সেতু নির্মাণপূর্বক কালিয়ার সাথে ঢাকার দূরত্ব কমিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজীকরণ,কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে উন্নত স্বাস্থ্য সেবা চালুর মাধ্যমে সাধারন মানুষের দোরগোঁড়ায় সুচিকিৎসা পৌঁছে দেয়া,কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে যুবকদের দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তুলে তাদের দেশ ও বিদেশে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা, বেকারত্ব দূরীকরণে কালিয়ায় শিল্প কলকারখানা গড়ে তুলতে পদক্ষেপ গ্রহণ, সন্ত্রাসমুক্ত ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠন, এলাকার
রাস্তাঘাট,কালভার্ট,নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ব্যবস্থা চালু করা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সার্বিক উন্নয়ন, উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের কলেজে ডিগ্রীকোর্স চালু, ¯œাতক পর্যায়ের কলেজে অনার্স কোর্স চালুকরণের ব্যবস্থা করা, বিজ্ঞান ভিত্তিক ও সময়োপযোগি শিক্ষার কারিকুলাম চালুকরণের চেষ্টা, হাট-বাজার, নদী-নালা, খাল-বিল অবৈধভাবে দখলদারি মুক্ত করা, দলে কর্মীবান্ধব নেতৃত্ব সৃষ্টি করা এবং শ্রমিকদল নেতা বি.এম বাকির হোসেনের অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করতে এমপি পদে প্রার্থী হতে চান বিএনপি নেতা অধ্যাপক বি.এম. নাগিব হোসেন।এছাড়া আমার নির্বাচনী এলাকায় মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃষ্টানসহ বিভিন্ন জাতি ধর্মের সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রেখে সকল ভেদাভেদ ভূলে দলমতের উর্দ্ধে থেকে একে অপরের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে চাই।বিভিন্ন ধর্মালম্বীরা যাতে স্বাধীনভাবে তাদের ধর্ম পালন করতে পারেন সে ব্যাপারে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে। মসজিদ, মন্দির, গীর্জা, প্যাগোডাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপসানালয়ের উন্নয়নে কাজ করবো।
তিনি আরো বলেন,শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কৃষিতে বিপ্লব ঘটাতে তাঁর ঘোষিত ১৯ দফার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দফা ছিল খালখনন কর্মসূচি। বাংলার রাখালরাজা দেশনায়ক জিয়াউর রহমানের পথ অনুসরণ করে আমার এলাকায় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য খাল খনন ও পুন:খননের পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।বিশ^বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক হিসেবে ‘সততা আমার ভিত্তি, জনগন আমার শক্তি’ এ নীতি অবলম্বন করে আমি এলাকার মানুষের সাথে যোগাযোগ রেখে তাদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করি।তৃণমুলে জনসমর্থন থাকায় ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপি দলীয় নমিনেশন পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
শিক্ষিত এবং মানবিকমূল্যবোধ সম্পন্ন নেতা অধ্যাপক বি.এম. নাগিব হোসেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নে নড়াইল এবং ঢাকায় গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ অব্যাহত রেখেছেন। তিনি কালিয়া উপজেলা সদরসহ নড়াইল-১ আসনের বিভিন্ন এলাকায় দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে তৃণমূল পর্যায়ে তারেক রহমানের রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়নের জন্য সভা-সমাবেশে যোগদানসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে ছুটে যাচ্ছেন।
বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা জানিয়েছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দল যাকে মনোনয়ন দিবে তাঁর হয়ে তারা কাজ করবেন।স্থানীয়দের মতে, অধ্যাপক বি.এম. নাগিব হোসেনের মতো একজন কর্মীবান্ধব,শিক্ষিত, কর্তব্যপরায়ন, সৎ ও সমাজসচেতন ব্যক্তি যদি নেতৃত্বে আসেন তাহলে নড়াইল-১ আসনের অবহেলিত মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে।তাঁর (অধ্যাপক বি.এম. নাগিব) দূরদর্শী রাজনীতি, সাধারন মানুষের সাথে বন্ধুসুলভ সহজ সরল আচরণ এবং দায়িত্ববোধের কারণে ইতোমধ্যেই এলাকাবাসীর কাছে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন।
নড়াইলের নড়াগাতি থানাধীন দক্ষিণ যোগানিয়া গ্রামের কৃতি সন্তান অধ্যাপক (অব.) বি.এম. নাগিব হোসেন ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় থেকে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ থেকে কৃতিত্বের সাথে বিএ (অনার্স) এমএ পাশ করার পর ১৯৮৬ সালে বিসিএস (৮ম ব্যাচ) সাধারন শিক্ষা ক্যাডারে উত্তীর্ণ হয়ে প্রভাষক হিসেবে সরকারি কলেজে যোগ দেন।পরবর্তীতে অধ্যাপক হিসেবে জগন্নাথ বিশ^বিদ্যালয় থেকে অবসরে যান।ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ে পড়াকালীন ১৯৭৯ সালে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে সক্রিয় সদস্য হিসেবে ছাত্রদলে যোগ দেন।ছাত্রদলে যোগদানের পর ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের তৎকালীন ৯টি ছাত্রহল এবং দুটি ছাত্রীহলে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম শক্তিশালী করতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।অধ্যাপনাকালীন নেপথ্যে থেকে ঢাকা কলেজ, গাজীপুর ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজ এবং জগন্নাথ কলেজে (পরবর্তীতে বিশ^বিদ্যালয়ে উন্নীতকরণ) ছাত্রদলকে সংগঠিত করতে সার্বিক সহযোগিতা করেন। ছাত্রাবস্থায় তিনি এরশাদ হঠাও আন্দোলনে জোরালো ভূমিকা পালন করেন।
https://slotbet.online/