ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ৪নং হলিধানী ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের রতনপুর গ্রামের কৃষকরা এখন চরম দুশ্চিন্তায়। গ্রামের মাঠে ধান চাষের একমাত্র পানি নিষ্কাশনের পথটি রুদ্ধ করে পুকুর খননের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ভূমি মালিকের বিরুদ্ধে। এতে করে শত শত কৃষকের ফসলি জমি হুমকির মুখে পড়েছে।
জানা গেছে, ৪৫নং হলিধানী মৌজার ২নং ম্যাপভুক্ত এলাকার কৃষকরা দীর্ঘদিন ধরে চাষাবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। এ জমিগুলোর স্বাভাবিক পানি নিষ্কাশনের একমাত্র পথটি বয়ে গেছে মোঃ লুৎফর রহমান (পিতা- মোঃ মোফাজ্জেল হোসেন), গ্রাম- জিয়ালা, ডাকঘর- মধুহাটি, উপজেলা- সদর, জেলা- ঝিনাইদহ এর ধানী জমির মধ্য দিয়ে। কিন্তু সম্প্রতি তিনি ঐ জমিতে পুকুর খননের কাজ শুরু করেছেন। এতে করে নিষ্কাশনের পথটি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, যার ফলে পানি জমে থেকে চাষাবাদ ব্যাহত হবে এবং ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আজ রোববার, ৬ জুলাই ২০২৫ ইং তারিখে রতনপুর গ্রামের শত শত মানুষ মাঠে একত্রিত হন। সেখানে তারা কৃষি জমি রক্ষার দাবি জানান এবং এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান সাংবাদিকদের সামনে। দরিদ্র কৃষকদের আহাজারিতে আকাশ বাতাস ভারী হয়ে ওঠে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ আশরাফুল আলম। তিনি বলেন, “এই পুকুর খননের ফলে কৃষকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হলে আমরা চুপ থাকতে পারি না। আমি প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করছি, যেন বিষয়টি সঠিকভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।”
এ বিষয়ে ভুক্তভোগীরা ৪নং হলিধানী ইউনিয়নের ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। তারা পুকুর খননের ওপর অনাপত্তি না দিয়ে পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক পথটি অবরুদ্ধ না করার আহ্বান জানিয়েছেন।
এদিকে এলাকাবাসী দ্রুত এই সমস্যার সুরাহা না হলে আরও বৃহত্তর কর্মসূচির হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন।
এ বিষয়ে, অভিযুক্ত মোঃ লুৎফর রহমানের সাথে কথা বললে, তিনি বলেন আমি তো এই সম্পর্কে কম বুঝি যদি এই পুকুর খননের কারনে সাধারণ জনগণের ক্ষতি হয় তাহলে আমি নতুন কোনো পুকুর খনন করবো না।
https://slotbet.online/