ঝিনাইদহে একটি সম্মানিত ও অভিজাত পরিবার অনলাইন অপপ্রচারের শিকার হয়ে চরমভাবে মানসিক ও সামাজিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্ট সাইবার দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ ও প্রতিকার দাবিতে মঙ্গলবার (৩ জুন) ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ওই পরিবারের সদস্যরা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সদর উপজেলার চাপড়ী গ্রামের বাসিন্দা নুরুল ইসলামের ছেলে সাঈদ হাসান মনিরুল। তিনি অভিযোগ করেন, ফেসবুকে ‘অগ্রযাত্রা এক্সক্লুসিভ’ নামের একটি পেজ থেকে “ঝিনাইদহসহ চার জেলার গডফাদার মনিরুলের জমজমাট মাদক কারবার” শীর্ষক মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করা হয়। এতে তার পরিবার, বিশেষ করে প্রবাসী ভাই উজ্জল ও অসুস্থ মা’কে জড়িয়ে মানহানিকর বক্তব্য প্রচার করা হয়।
মনিরুলের দাবি, তার ভাই উজ্জল গত ১৮ বছর ধরে বিদেশে অবস্থান করছেন, অথচ অপপ্রচারে দাবি করা হয়েছে তিনি কক্সবাজার থেকে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করছেন। এর পেছনে রয়েছে এলাকার একটি কুচক্রী মহল, যারা তাদের পারিবারিক প্রভাব ও রাজনৈতিক অবস্থানকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।
সংবাদ সম্মেলনে সাঈদ হাসান আরও জানান, তাদের পরিবারের একজন সদস্য পোড়াহাটী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করার পর থেকেই একদল সাইবার অপরাধী – সৈয়দ আশিকুজ্জামান জনি ও সাবিদ কাওসার – উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা প্রচার শুরু করেছে।
লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও জানান, প্রায় ছয় বছর আগে পারিবারিক অসুস্থতার কারণে স্থানীয় এক ব্যক্তি আব্দুল মালেক মন্ডলের কাছ থেকে ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা ধার নেন। টাকা পরিশোধ করলেও জামানত হিসেবে নেওয়া ব্যাংক চেক ব্যবহার করে ওই ব্যক্তি এখন আদালতে ২ কোটি ১৮ লাখ টাকার ভুয়া মামলা করেছেন।
মনিরুল বলেন, তাদের পরিবার বিএনপি সমর্থক হওয়ায় দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে রাজনৈতিকভাবে হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার। এখন সেই পুরোনো শত্রুতার জের ধরেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। অভিযুক্ত আশিকুজ্জামান জনি ও সাবিদ কাওসার নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাইবার সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত এবং মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে দাবি করেন তিনি। এমনকি জনি পূর্বে মাগুরা ও ফরিদপুরে ফেনসিডিলসহ গ্রেফতার হয়ে জেলও খেটেছেন বলে দাবি করা হয়।
https://slotbet.online/