আজ শনিবার, ১৭ মে ২০২৫ ইং। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আজ খোলা রাখার নির্দেশ জারি করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো বিদ্যালয় নিজের সিদ্ধান্তে ছুটি ঘোষণা করতে পারবে না। অথচ বাস্তব চিত্র ভিন্ন।
আজ সরেজমিনে হরিনাকুণ্ডু উপজেলার কাপাসহাটিয়া ইউনিয়নের ভাতুড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়টি সম্পূর্ণরূপে বন্ধ। বিদ্যালয়ের মূল ফটক তালাবদ্ধ, শ্রেণিকক্ষে কোনো শিক্ষক-শিক্ষার্থী নেই, নেই কোনো কার্যক্রম।
এই অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে—কেন সরকারি নির্দেশ অমান্য করে বিদ্যালয়টি বন্ধ রাখা হলো? কে এর দায়ভার নেবে? শিক্ষার্থীদের পাঠদানের যে ক্ষতি হলো, তা কে পূরণ করবে?
স্থানীয় শিক্ষানুরাগী ও অভিভাবকদের মাঝে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তারা বলেছেন, এভাবে একটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যদি এভাবে অনিয়ম হতে থাকে তাহলে কিভাবে আমাদের শিক্ষার মান উন্নয়ন হবে। তাদের মতে, এ ধরনের দায়িত্বহীনতা শিক্ষাব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তোলে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
শিক্ষা হলো জাতির মেরুদণ্ড। এই মেরুদণ্ডকে মজবুত করতে হলে নিয়মনীতি সবাইকে মানতে হবে—তবে তা কেবল নির্দেশনা জারি করলেই হবে না, বাস্তব প্রয়োগেও তা নিশ্চিত করতে হবে।
এ বিষয়ে হরিনাকুণ্ডু উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আঃ বারীর সাথে মুটোফোনে কথা বললে তিনি সাংবাদিকদের জানান, ভাতুড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে শোকজের নোটিশ ব্যবস্থা করা হচ্ছে এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি বলেন, আমি অসুস্থতার কারনে ছুটিতে আছি আর আমার অবর্তমানে যারা দায়িত্বে আছেন, যারা হইতো এ বিষয়টি বুঝতে পারিনি। আগামী শনিবার থেকে আমরা নিয়মিত ক্লাস নিবো।
https://slotbet.online/