ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আল হাদীস বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তি করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত মোজাম্মেল ঝিনাইদহ জেলার হরিণাকুন্ডু উপজেলার তাহের হুদা ইউনিয়নের ধুলিয়া পূর্ব পাড়ার বাসিন্দা।
সূত্র জানায়, গত সোমবার রাতে মোজাম্মেল হক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নবীজী (সা.) সম্পর্কে অবমাননাকর ও অশালীন মন্তব্য করেন, যা দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। এতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। স্থানীয়রা দাবি করছেন, এর আগেও তিনি এমন মন্তব্য করেছেন, কিন্তু রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে বিষয়টি ধামাচাপা পড়ে যায়।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত জনতা তাকে আটক করে মারধর করে। পরে হরিণাকুন্ডু থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। যদিও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মধ্যস্থতায় তিনি একটি লিখিত অঙ্গীকারনামা দিয়ে মুক্তি পান, তবু এলাকাবাসী তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে এবং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বরখাস্ত করার আহ্বান জানাচ্ছেন।
অভিযুক্ত মোজাম্মেল হকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ব্যবহৃত নম্বরে কল রিসিভ হয়নি। এছাড়া স্থানীয় বিএনপি নেতা রুশ মেম্বারের সাথেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
হরিণাকুন্ডু উপজেলা আমীর বাবুল হোসেন জানান, বিষয়টি তিনি শুনেছেন এবং ঘটনার সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
এ বিষয়ে থানার ওসি আব্দুর রউফ বলেন, কয়েকদিন আগে আজহারী সাহেবের একটি বক্তব্য নিয়ে মোজাম্মেল আলোচনা করছিলেন, এতে করে স্থানীয়রা উত্তেজিত হয়ে কিছু মারধর করেন। তবে কেউ লিখিত অভিযোগ দিলে পুলিশ আইনগত পদক্ষেপ নেবে।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আল হাদীস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান ড. আখতার হোসেন বলেন, ঘটনাটি স্থানীয় পর্যায়ে ঘটেছে এবং বিভাগীয়ভাবে বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। যা যা পদক্ষেপ প্রয়োজন, তা গ্রহণ করা হয়েছে।
https://slotbet.online/