বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ঘোষিত শ্রমনীতি রাষ্ট্রীয়ভাবে বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।
মঙ্গলবার (১১ মার্চ) খুলনার ফুলতলা উপজেলার দামোদর ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে বাংলাদেশ কৃষিজীবী শ্রমিক ইউনিয়ন খুলনা জেলা শাখার দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।
কৃষক-শ্রমিকদের জন্য ন্যায্য মজুরির প্রতিশ্রুতি
গোলাম পরওয়ার বলেন, কৃষক ও শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে জাতীয় মজুরি কমিশনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তাঁদের মজুরি নির্ধারণ করা হবে। তিনি আরও জানান, দেশের কৃষিজীবী শ্রমিকদের সংগঠিত করে একটি কল্যাণমূলক ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ধারণা দেওয়া হবে।
“আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সা.) কল্যাণকর রাষ্ট্র গঠন করে গোটা বিশ্ববাসীকে দেখিয়ে গেছেন। ইসলামি সমাজনীতি ছাড়া অধিকারবঞ্চিত মানুষের জন্য যথাযথ শ্রমনীতি বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়,”—বলেন জামায়াত নেতা।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত না হওয়া, কৃষি উপকরণের উচ্চমূল্য, সার, কীটনাশক ও ওষুধের দাম বৃদ্ধির ফলে কৃষকরা হতাশ হয়ে পড়ছেন।
সম্মেলনে মাওলানা শেখ কামাল হোসেনকে সভাপতি এবং মো. আল-আমিন গোলদারকে সাধারণ সম্পাদক করে ২১ সদস্যবিশিষ্ট বাংলাদেশ কৃষিজীবী শ্রমিক ইউনিয়ন খুলনা জেলা কমিটি ঘোষণা করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামীর খুলনা জেলা সভাপতি মাওলানা শেখ কামাল হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ শ্রমিককল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি শফিকুল আলম, জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা এমরান হোসাইন, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মুন্সী মিজানুর রহমান, শ্রমিককল্যাণ ফেডারেশনের খুলনা জেলা সভাপতি গাওসুল আযম, মহানগর সভাপতি মো. আজিজুল ইসলাম ফারাজী, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মুন্সী মঈনুল ইসলাম, অধ্যাপক মিয়া গোলাম কুদ্দুস এবং জেলা জামায়াতের যুব বিভাগের সভাপতি মোস্তফা আল মুজাহিদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
সম্মেলনে বক্তারা কৃষক ও শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং ইসলামি শ্রমনীতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
https://slotbet.online/