• শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ১০:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
পাটের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম কৃষকদল নেতার মৃত্যু: ঝিনাইদহে লাশ নিয়ে বিএনপির বিক্ষোভ, স্ট্রোকের দাবি জামায়াতের বিরলে ০৮ নং ধর্মপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ছাত্রনেতার যৌথ উদ্যোগে ৫০০ দরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ সখীপুরে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে হামলার আসামি অন্তর আহমেদ গ্রেপ্তার বিরল উপজেলা বিএনপি ও পৌর বিএনপি’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জ উল্লাপাড়ায় ট্রেনের ধাক্কায় দুই যুবকের মৃত্যু সখিপুর টাইগার ক্লাব আয়োজিত ইফতার ও দ্বি বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত মঠবাড়িয়ায় ব্ল্যাকমেইল চক্রের ফাঁদে ব্যবসায়ী, নগ্ন ভিডিও করে মুক্তিপণ দাবি জাতীয় স্মৃতিসৌধে স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকারের শ্রদ্ধা নিবেদন নড়াইলে ছাগলকে বাঁচাতে গিয়ে ট্রেনে কাঁটা পড়ে বৃদ্ধ নিহত

মেহেরপুরে শরিফা চাষে দারুণ সফলতা

Reporter Name / ১৮৪ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৪

বাংলারদূত প্রতিবেদক : শরিফা ফল চাষে দারুণ সফলতা পেয়েছেন মেহেরপুরের বাহাউদ্দীন। খেতে সুস্বাদু অপ্রচলিত ফলটি মেওয়া নামেও পরিচিত। প্রতি কেজি শরিফার পাইকারী মূল্য ২শ’৫০ টাকা। বাহাউদ্দীনের সফলতায় অনেকেই আগ্রহী হয়ে উঠেছেন শরিফা বাগান করতে।

গাছে থোকায় থোকায় শরিফা ফল। আগে ফলটি কমবেশি সব বাড়ির আঙ্গিনায় দেখা যেতো, এখন বিলুপ্তপ্রায়। আর এই শরিফা ফলের বাগান করে লাভবান হয়েছেন মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার চেংগাড়া গ্রামের বাহাউদ্দীন।

শখের বশে বছর চারেক আগে চার বিঘা জমিতে শরিফা ফলের বাগান করেন বাহাউদ্দীন। লাভজনক হওয়ায় আরও চার বিঘায় বাগান করেছেন তিনি। চার বিঘায় চারা রোপণ থেকে ফল ধরা পর্যন্ত খরচ হয়েছে ৫০ হাজার টাকা। তবে প্রায় ৩ লাখ টাকার শরিফা বিক্রির আশা করছেন বাহাউদ্দীন।

এলাকাবাসীরা জানান, এখানে আড়াইশ’ টাকা পাইকারী, কোন সময়ে ৩শ’ টাকাও হয়। তবে বেশির ভাগই ঢাকার পাইকারী বাজারে নেয়া হয়।

বাগান মালিক মোঃ বাহাউদ্দীন বলেন, আমার বাড়ি থেকে প্রায় পনের-বিশ কিলোমিটার দূরে থেকে ৭-৮টা গাছ সংগ্রহ করি। এই গাছ আমি বাড়িতে লাগাই, এখানে ফল হয়। এই ফলের বিজ থেকে আমি চারা করি। ওই চারা দিয়ে আমি এই বাগান দুটি করি।

বাহাউদ্দীনের সফলতায় অনেকেই শরিফা বাগান করার দিকে ঝুঁকছেন।

স্থানীয় যুবক বকুল জানান, জমিতে আমি কিভাবে এই সুস্বাদু ফলটি চাষ করতে পারি, সেই সহযোগিতা ও পরামর্শ নেওয়ার জন্য বাহাউদ্দীনের এই বাগানে এসেছি।

ব্যবসায়ীরা বাগান থেকেই ফল কিনে নিয়ে যায়। ফল ব্যবসায়ী আব্দুর রহমান বলেন, ২শ’ ৫০ কিনে গাংনি নিয়ে যেয়ে ৩শ’ টাকায় বিক্রি করে থাকি। এছাড়া ঢাকাতেও পাঠিয়ে থাকি।

শরিফা চাষে সার ও কীটনাশক খুব কম প্রয়োগ করতে হয়। এর উৎপাদন খরচও খুবই কম।

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাহাবুদ্দীন আহাম্মেদ বলেন, এলাকা থেকে এবং এলাকার বাইরে থেকে অনেক কৃষক এটা দেখতে আসছে। তারা নিজেরা এটা চাষাবাদ করার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করছে। এটা অত্যন্ত লাভজনক একটা ফল।

দেশি এই ফলটি বাজরে ভাল অবস্থান তৈরি করবে বলেও আশাবাদ কৃষি বিভাগের।
বাংলারদূত/এআর


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/