• শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০৩:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বিরলে ০৮ নং ধর্মপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ছাত্রনেতার যৌথ উদ্যোগে ৫০০ দরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ সখীপুরে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে হামলার আসামি অন্তর আহমেদ গ্রেপ্তার বিরল উপজেলা বিএনপি ও পৌর বিএনপি’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জ উল্লাপাড়ায় ট্রেনের ধাক্কায় দুই যুবকের মৃত্যু সখিপুর টাইগার ক্লাব আয়োজিত ইফতার ও দ্বি বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত মঠবাড়িয়ায় ব্ল্যাকমেইল চক্রের ফাঁদে ব্যবসায়ী, নগ্ন ভিডিও করে মুক্তিপণ দাবি জাতীয় স্মৃতিসৌধে স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকারের শ্রদ্ধা নিবেদন নড়াইলে ছাগলকে বাঁচাতে গিয়ে ট্রেনে কাঁটা পড়ে বৃদ্ধ নিহত ঝিনাইদহে ২ টাকায় ইফতার বিতরণ কলারোয়ায় আমের মুকুলে চাষীদের বাম্পার ফলনের আশা

কুড়িগ্রামে প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে চাষে ফুলকপি বাম্পার ফলন

Reporter Name / ১৭০ Time View
Update : রবিবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৪

বাংলারদূত প্রতিবেদক : জেলায় চলতি মৌসুমে কীটনাশক ব্যবহার কমিয়ে জৈবসার এবং প্রাকৃতিক পদ্ধতি ব্যবহার করে ফুলকপি চাষ করে বাম্পার ফলন পেয়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। এতে প্রায় দ্বিগুণ লাভের পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা পাচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, জেলার রাজারহাট উপজেলায় ছিনাই ইউনিয়নের মহিধর ও মিস্ত্রিপাড়ার কৃষকরা কীটনাশক ব্যবহার কমিয়ে জৈব সার এবং প্রাকৃতিক পদ্ধতি ব্যবহার করে ফুলকপির বাম্পার ফলন পেয়েছেন। উৎপাদন খরচ কমার পাশাপাশি পরিবেশ ভারসাম্য রক্ষা করতেও সক্ষম হচ্ছেন তারা। নিরাপদ সবজি উৎপাদনে হাব-ক্লাস্টার পদ্ধতির মাধ্যমে সমন্বতিভাবে কৃষকরা জমিতে ফেরোমন ফাঁদ বা বিষ টোপ এবং ফ্রুট ব্যাগ ব্যবহার করে ক্ষতিকর পোকা রোধ করছেন।

স্থানীয় কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, পরিবেশ বান্ধব পদ্ধতি ব্যবহার করে জমিতে চাষাবাদ করায় মাটিতে ক্ষুদ্র অনুজীবের ক্রিয়াশীলতা ৩০ থেকে একশ’ ভাগ পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। উচ্চমাত্রায় জৈব উপাদানের কারণে মাটিতে অনুজীবের ক্রিয়া এবং মাটির বুনা ঠিক থাকে। এছাড়া, কীটনাশক ব্যবহার কমানোর কারণে উপকারী পোকামাকড়, মাছ, ব্যাঙ, পশু, পানি প্রভৃতি সংরক্ষণে ইতিবাচক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, প্রতিবিঘা জমিতে ফুলকপি চাষে ৩০ হাজার থেকে ৩৫ হাজার টাকা খরচ করে একলাখ থেকে দেড়লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করছেন কৃষকরা। এরই মধ্যে তারা প্রতিবিঘা জমি থেকে ৪০হাজার টাকার বেশি ফুলকপি বিক্রি করেছেন।সামনে আরও ৭০ হাজার টাকার মতো বিক্রি করতে পারবেন। কীটনাশক ব্যবহার কমার কারণে শ্রমিকরা ভালো ভাবে কাজ করতে পারছেন। আগের মতো আর হাঁচি, মুখ জ্বলাপোড়া ইত্যআদি যেমন নেই, তেমনি জমিতে কীটনাশকের কোন গন্ধও নেই।

রাজারহাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুন্নাহার সাথী বলেন, কৃষকদের নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে সরকারি ও বেসরকারিভাবে প্রশিক্ষণ ও সহায়তার প্রদান করা হচ্ছে।
বাংলারদূত/এআর


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/