• সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ০৩:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নেছারাবাদে বন্ধুকে মাথাবিচ্ছিন্ন করে হত্যা গ্রেপ্তার ২ জমকালো আয়োজনে দৈনিক কুমিল্লা প্রতিদিন ও পেশাজীবী সাংবাদিক সোসাইটির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির ১ম বৈঠক অনুষ্ঠিত পাটের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম কৃষকদল নেতার মৃত্যু: ঝিনাইদহে লাশ নিয়ে বিএনপির বিক্ষোভ, স্ট্রোকের দাবি জামায়াতের বিরলে ০৮ নং ধর্মপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ছাত্রনেতার যৌথ উদ্যোগে ৫০০ দরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ সখীপুরে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে হামলার আসামি অন্তর আহমেদ গ্রেপ্তার বিরল উপজেলা বিএনপি ও পৌর বিএনপি’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জ উল্লাপাড়ায় ট্রেনের ধাক্কায় দুই যুবকের মৃত্যু সখিপুর টাইগার ক্লাব আয়োজিত ইফতার ও দ্বি বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের ৫৪ শতাংশ মানুষ শহরে বসবাস করবে

খান মোঃ আতিকুর রহমান, স্টাফ রিপোর্টার / ১৯৮ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৪

 

‘তরুণদের সম্পৃক্ত করি, উন্নত নগর গড়ি’ প্রতিপাদ্য নিয়ে আজ সকালে খুলনায় বিশ্ব বসতি দিবস পালন করা হয়। দিবসটি উপলক্ষ্যে সকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা ও পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার ও খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ হেলাল মাহমুদ শরীফ।

 

প্রধান অতিথি তাঁর বক্তৃতায় বলেন, মানব সভ্যতার শুরু থেকেই নিরাপদ বসতি একটি মৌলিক চাহিদা। নগরের পরিকল্পনা তৈরির সময় ঐ স্থানের প্রকৃতি, পরিবেশ ও পানি প্রবাহের প্রাকৃতিক পথের বিষয়গুলো বিবেচনায় নিতে হবে। একই সাথে নাগরিকের চাহিদা এবং সমস্যার দিকগুলোও মাথায় রাখতে হবে। প্রতিটি এলাকার বসতি নির্মাণের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য রয়েছে। জলাবায়ুগত ভিন্নতার কারণে স্থাপনার নির্মাণ উপকরণ ও নকশায় ভিন্নতা আনার দরকার হয়। এক্ষেত্রে বিস্তৃত ও গবেষণাভিত্তিক পরিকল্পনা থাকতে হবে।

 

অনুষ্ঠানে মূলপ্রবন্ধে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউআরপি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মোঃ আহসানুল কবীর জানান, ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের ৫৪ শতাংশ মানুষ শহরে বসবাস করবে। সেক্ষেত্রে নগরভিত্তিক সেবার উপর চাপ বৃদ্ধি পাবে। এই নগরায়নের ফলে পরিবেশ দূষণ, বস্তির সংখ্যা বৃদ্ধি, অসমতা ও নিরাপত্তাহীনতার মতো সংকট বাড়তে পারে। তাই অন্তর্ভুক্তিমূলক নগর পরিকল্পনা প্রনয়ণের বিকল্প নেই। আবার পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য জুতসই বাসস্থান ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা দরকার। শহরাঞ্চলে গণপরিবহনের জন্য জায়গা কমিয়ে কেবল ব্যক্তিগত যান চলাচলের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে এমন উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রনয়ণ নাগরিক সাম্যের সাথে সাংঘর্ষিক।

খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কেডিএ) চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম মিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের খুলনা জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোঃ মিছবাহ উদ্দিন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, আইএবি খুলনা কেন্দ্রের আহবায়ক গৌরী শংকর রায়, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. আবু জাকির মোর্শেদ ও বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স এর খুলনা চ্যাপ্টারের চেয়ারম্যান আবির-উল-জব্বার। খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এবং গণপূর্ত অধিদপ্তর, জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ ও নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরের খুলনা কার্যালয় যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

 

অনুষ্ঠানে দিবসটি উপলক্ষ্যে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

এর আগে খুলনা শিববাড়ি কেডিএ এর চত্বর থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদিক্ষণ করে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/