সকাল থেকে খুলনার ফুলতলা থানা, খানজাহান আলী থানা, খালিশপুর থানা, দৌলতপুর থানা ও আড়ংঘাটা থানা এলাকা ছিলো পুলিশ শূন্য অবস্থায়। ছিলোনা কোন ট্রাফিক পুলিশ ও। ফুলবাড়ীগেট পুলিশ বক্স তালা বদ্ধ দেখা যায়। উত্তর দিক থেকে শহরে ঢুকতে ২টা চেকপোষ্ট একটা আফিলগেট, পুলিশ শূণ্য, ২য় টা পথের বাজার ৭/৮ জন বসে অলস সময় কাটাচ্ছে। চেকপোষ্টের আইসি এর সাথে কথা বলে জানা যায় সকল ফোর্স শহরে পাঠানো হয়েছে। আওয়ামীলীগ ও আন্দোলনকারীদের ও এই সমস্ত এলাকায় কোনো তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়নি। আন্দোলনকারীদের মূল লক্ষ্য ছিলো শহর কেন্দ্রীক। শিববাড়ী এলাকায় তারা জামায়াত শুরু করে এবং ১১ ঘটিকার পরবর্তী সময়ে ডাকবাংলা হয়ে হাদিস পার্কের বিপরিত পার্শ্বে অবস্থিত আওয়ামীলীগ এর দলীয় কার্যালয়ে আক্রমন করে অফিস, অফিসে রক্ষিত আসবাবপত্র ভাংচুর ও লুট করে নিয়ে যায়। সর্বশেষে আগুন ধরিয়ে দেয় দলীয় কার্যলয়ের ভেতরে। পাশেই অবস্থিত নৌ-পরিবহন এর একটি অফিস ও ভাংচুর সহ আগুন ধরিয়ে দেয় আন্দোলনকারীরা। এরপর শুরু হয় শহরজুড়ে ধ্বংসলীলা ও তান্ডব। খুলনা জেলা পরিষদ এর ভেতরে ৫/৭ টি মটর সাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। যা পরে ফায়ার সার্ভিস এর সহযোগীতায় নিয়ন্ত্রিত হয়। প্রশাসনকে দর্শকের ভূমিকায় দেখাযায়। শিববাড়ী থেকে সোনাডাঙ্গা, শিববাড়ী থেকে হাদিসপার্ক হয়ে ময়লাপোতা পর্যন্ত থাকে আন্দোলনকারীদের দখলে। অর্থাৎ সম্পূর্ণ সদর থানা এলাকা জুড়ে রণক্ষেত্রে পরিনত হয়। ময়লাপোতা মোড়ে অবস্থিত শেখ বাড়িতে বিক্ষোভকারীরা ভাংচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয়। যা দাউ দাউ করে জ্বলছে। এ যেন এক ধ্বংসের শহর। সবাই ছুটে চলেছে ধ্বংসের নেশায়।
আন্দোলনকারীরা আওয়ামীলীগ অফিসে আক্রমণ করার সময় সেখানে উপস্থিত মহানগর আওয়ামীলীগ এর সাধারন সম্পাদক এম, ডি, এ বাবুল রানা, মহানগর যুবলীগ এর সাধারণ সম্পাদক শাহজালাল হোসেন সুজন সহ অনেকে আক্রান্ত ও আহত হয়, সুজনের অবস্থা আশংকাজনক, সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আই,সি,ইউতে আছে। শিববাড়ী মোড়ে একজন আন্দেলনকারী গুলিবিদ্ধ হয়েছে মর্মে খবর পাওয়া যায়। শহরের বাহিরে পুলিশ রাস্তায় নেই বললেই চলে।
https://slotbet.online/