বিশেষ প্রতিনিধিঃ
ঢাকা জেলার,সাভার থানায় ডাক্তার ভিলা, মোগড়াকান্দা উত্তরপাড়ায় আজমল এর পরিবারের উপর পরিকল্পিত হত্যাচেষ্টার ঘটনাটি সম্প্রতি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। এই ঘটনাটি শুধুমাত্র একটি পরিবারের জন্য নয়, সমাজের জন্যেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু।
ঘটনাটি ঘটেছে গত ৩০/০১/২৫ (বৃহস্পতিবার) ঢাকা জেলার,সাভার থানায় ডাক্তার ভিলা, মোগড়াকান্দা উত্তরপাড়ায় আজমলের নিজ বাড়িতে পরিকল্পিত হত্যাচেষ্টার ঘটনাটি ঘটে । আজমল এর পরিবার তাদের বাড়িতে অবস্থান করছিলেন, যখন অজ্ঞাতনামা আক্রমণকারীরা তাদের উপর হামলা চালায়।আক্রমণকারীরা তাদের হাতে ছিল লোহার রড,রামদা,চাপাতি, দা,শাবল,চাক্কু,হাতুড়ি, কাঠের লাঠি ইত্যাদি হত্যার উদেশ্য ব্যবহার করে ।
ভুক্তভোগী পরিবার বলে, সকাল অনুমান সাড়ে ছয়টার দিকে পূর্বের শত্রুতার জেড় ধড়ে সোলাইমান সহ তাদের সন্ত্রাসী বাহিনীর সহযোগীয় বে- আইনী ভাবে আমার বসত বাড়িতে অনাধিকার ভাবে জনতাবদ্ধে প্রবেশ করে বিদ্যুৎ সংযোগ বিছিন্ন করে দেয় তারা। একই সময়ে আমার বসত বাড়িতে এবং ফ্ল্যাটের সি.সি ক্যামেরা সহ বাসার নিজ তলার ফ্ল্যাটে থাকা বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাংচুর করে।এমত অবস্থায় স্ত্রী সুমানা পারভীন( ৩২) উক্ত ঘটনা দেখতে পেলে আমাকে ডাকলে আমি ও আমার ভাতিজা মোঃ আজমির হোসেন (২৪) ফ্ল্যাট থেকে বের হয়ে আসি। সোলায়মান ও তার বাহিনীকে ভাংচুর করতে বাধা দেওয়ায় আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে বসতবাড়ির মূল গেট ভিতর থেকে বন্ধ করে দেয়। এবং তাদের হাতে থাকা লোহার রড, কাঠের লাঠি, শাবল দিয়ে আমাদেরকে এলোপাথাড়ি ভাবে পিটাতে থাকে। শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক নিলাফুলা, ছেচা, রক্তজমাট জখম করে। ঐ সময়ে গুরুতর আহত হয়ে ফ্লোরে লুটিয়ে পড়ি আমি সহ আমার পরিবারের সদস্যরা। মোঃ আইনুল হক, জাহানুর বেগম, এ এন এম সোলাইমান হোসেন এর হুকুমে মোঃ এনামীর হাতে থাকা ধাড়ালো চাপাতি দিয়ে আমার ভাতিজা মোঃ আজমির হোসেন কে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথা বরাবরে কোপ দিলে আমার ভাতিজার মাথার উপরিভাগের পিছনদিকে লাগার কারণে গুরুতরেআহত হয়। ঐ সময় একই উদ্দেশ্যে বাতেন শেখ তার হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে আমার ভাতিজা মোঃ আজমির হোসেনের দুই হাত দুই পা সহ শরীরের ভিবিন্ন স্থানে আঘাত করে। তাতে মারাত্মক ভাবে নিলাফুলা ও রক্তজমাট জখম করা হয়। মোঃ হাবিবুর রহমান এর হাতে থাকা ধাড়ালো রামদা দিয়ে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথা কোপ দিতে গেলে উক্ত কোপ আমি ডান হাত দিয়ে ফিরাইতে গেলে উক্ত কোপ আমার ডান হাতের কনুইর নিছে লাগে তারপর আবার মোঃ শফিকুল ইসলাম এর হাতে থাকা লোহার শাবল দিয়ে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় সজোড়ে আঘাত করলে সেই আঘাত আমি বাম হাতে দিয়ে ফিরাতে গেলে উক্ত আঘাত আমার বাম হাতের কনুইতে লাগে গুরুতর আহত হই। আমার স্ত্রী সুমনা পারভীন এই সন্ত্রাসীদের হাত থেকে আমাকে রক্ষা করতে গেলে মোঃ ইউসুফ এর হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে আমার স্ত্রীকে এলোপাতাড়ি ভাবে আঘাত করে। এক পর্যায়ে আমার স্ত্রী তাহার হাতে থাকা ফোন দিয়ে ঘটনার ভিডিও ধারণ করতে গেলে। সুইটি আমার স্ত্রী এর হাত থেকে জোড়পূর্বক ভাবে ফোন সিনিয়ে নেয়। এবং আমার স্ত্রী এর পরিহিত কাপড় চোপড় ধড়ে টানা হেচড়া করে শ্লীলতাহানি করে। আমাদের ডাক চিৎকারে আশে পাশের লোকজন ঘটনাস্থলে আসলে এই সন্ত্রাসীরা উপস্থিত লোকজনের সামনে এই বিষয় কাউকে জানালে এবং আইনীআশ্রয় নিলে আমাদের মেরে ফেলার হুমকি দেয়।
তারপর তারা চলে গেলে, উপস্থিত লোকজনের সহায়তায় সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা গ্রহণ করি। চিকিৎসা গ্রহণের পর কিছুটা সুস্থ হওয়ার পর থানায় অভিযোগ দায়ের করি। বিবাদীগনের নামে একাধিক অভিযোগ দায়ের করা আছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বরাবর অভিযোগ দায়ের করা আছে। কিন্তু এখনো কোন আইনি প্রতিকার পাইনি। পরবর্তীতে আমরা মামলার পদক্ষেপ নিলে তা সাভার মডেল থানা পুলিশ ভিবিন্ন তালবাহানা করে দিন রাত ঘুড়াচ্ছে। আমি সহ আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতয় রয়েছি।
এই জাতির কাছে আমাদের উপর নির্যাতন এর সকল তথ্য তুলে ধড়লাম। এবং বিবাদীগনদের সঠিক ভাবে আইনের আওতায় আনার জন্য আশা রাখছি।
[2:29 pm, 03/02/2025] +65 8541 3954: নিউজ টা কালকের পত্রিকায় দিবেন আর পত্রিকা লাগবে কাল ৫ পিস
[2:47 pm, 03/02/2025] +880 1619-090120: তাড়াইলে পুলিশী অভিযানে কুখ্যাত দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক
আসাউজ্জামান জুয়েল কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
কিশোরগঞ্জের তাড়াইল থানা পুলিশের একটি টিম অভিযান চালিয়ে ৮০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ কুখ্যাত দুই মাদক ব্যবসায়ী দিপু মিয়া (২৬) ও নয়ন মিয়া (২৮) কে আটক করেছে। ধৃত দিপু পুর্ব সাচাইল গ্রামের আলাল উদ্দিনের ছেলে এবং নয়ন একই গ্রামের আঃ করিমের ছেলে।
রোববার ৩ ফেব্রয়ারী রাত ০২:৩০ ঘটিকার সময় উপজেলার তাড়াইল-সাচাইল সদর ইউনিয়নের পূর্ব সাচাইল গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটক হওয়া কুখ্যাত দুই মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে দিপু মিয়া পূর্ব সাচাইল গ্রামের আলাল মিয়ার ছেলে এবং নয়ন মিয়া একই গ্রামের আবদুল করিমের ছেলে।
তাড়াইল থানা পুলিশের এসআই লুৎফর রহমান
ও সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে এই অভিযানে অংশ নেন।
তাড়াইল থানা অফিসার ইনচার্জ সাব্বির রহমান জানান, ইয়াবাসহ আটক হওয়া দিপু মিয়া ও নয়ন মিয়া দুজনেই কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী। তারা দীর্ঘদিন যাবৎ তাড়াইল উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিল। তাদের মধ্যে দিপু খুবই কৌশলী। এলাকায় ছিনতাই, চুরি ও রাহাজানির সাথে জড়িত রয়েছে তারা।
ইয়াবাসহ আটকের এই ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে তাড়াইল থানায় মামলা নং-০৩, তারিখ-৩/০২/২০২৫ ইং, ধারা-২০১৮ সালের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন এর ৩৬ (১) এর ১০ (ক) ধারা) দায়ের করা হয়েছে।”
https://slotbet.online/