• শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
থানায় ঢুকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সামনেই সাংবাদিকদের পেটালেন সন্ত্রাসীরা ঝিনাইদহ টু চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কে আলমসাধু উল্টে নিহত ১, আহত ৩ নবীনগরের কথা পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের শুভ উদ্বোধন প্রিন্ট সংস্করণ প্রকাশে অর্থনৈতিক সহযোগিতার আশ্বাস পাঠক-শুভানুধ্যায়ীদের গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জুলাই বিপ্লবের বেনিফিসিয়ারি বিএনপি গাদ্দারি করছে- মিয়া গোলাম পরওয়ার দুদকের তদন্তে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ- আদালতে ব্যাখ্যা দিলেন তদন্ত কর্মকর্তা শহীদ আবু সাঈদকে স্মরণে কলারোয়ায় জামায়াতের র‍্যালি ও আলোচনা সভা লোকগীতিতে সারা দেশে প্রথম, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বর্ণপদক পেল সখীপুরের অনয়া ​বারবার সতর্কতার পরও অবহেলা: এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৫ মামলায় ৩১ হাজার টাকা জরিমানা ডিএসসিসির ঝিনাইদহে পুলিশের অভিযানে আটক, পরে মুক্তি—এএসআইয়ের বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন

ফেনী সদরের বিরিঞ্চি এলাকায় দুই শিশু হত্যার মূল আসামি জনি কে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ

মহিউদ্দিন মহি খন্দকার / ৮২ Time View
Update : বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫

৫ ই নভেম্বর বুধবার সকালে ফেনী জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিং করেন জেলা পুলিশ সুপার মোঃ হাবিবুর রহমান। তিনি জানান;
ফেনী সদরের বিরিঞ্চি এলাকায় ঘরে আগুন দিয়ে দুই সহোদরকে পুড়িয়ে মারার চাঞ্চল্যকর ঘটনায় মূল আসামি কামাল হোসেন জনিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধ ও পূর্বশত্রুতার জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।

৪ নভেম্বর চট্টগ্রাম মহানগরীর সদরঘাট থানার মাদারবাড়ি এলাকায় টানা তিন দিন অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

উল্লেখ্য গত ৫ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখে বিরিঞ্চি এলাকার বাসিন্দা সহিদুল ইসলামের বসতঘরে রাতের আঁধারে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। এতে ঘুমন্ত অবস্থায় পুড়ে মারা যায় তাঁর দুই শিশুপুত্র মাহিদুল ইসলাম শাহাদাত (১৩) ও তানজিদুল ইসলাম গোলাপ (৬)।

এ ঘটনায় নিহত শিশুদের বাবা সহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে ১৩ জনকে আসামি করে ফেনী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর কয়েকজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হলেও মূল হোতা কামাল হোসেন জনি পলাতক ছিলেন।

পুলিশ জানায়, ঘটনার পর জনি প্রথমে ছাগলনাইয়া এবং পরে ‘কাসিম’ ছদ্মনামে চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, ঢাকা, হবিগঞ্জ ও কিশোরগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন। গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি নিজের নামে কোনো মোবাইল সিম ব্যবহার করতেন না এবং অন্যের ফোনের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জনি হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন। তিনি স্বীকার করেছেন, ঘটনার রাতে তিনি নিজে উপস্থিত ছিলেন এবং তাঁর তিন সহযোগী সরাসরি ঘরে আগুন দেয়। হত্যাকাণ্ডের ৩-৪ দিন আগে তারা একটি বাগানে বসে এর পরিকল্পনা করেছিল। জনির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ও জড়িত অন্যদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।

পুলিশ তদন্তের স্বার্থে অন্য আসামিদের নাম আপাতত প্রকাশ করেনি। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/