• সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১২:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বিরলের পল্লীতে জমি-জমার বিরোধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নেছারাবাদে বন্ধুকে মাথাবিচ্ছিন্ন করে হত্যা গ্রেপ্তার ২ জমকালো আয়োজনে দৈনিক কুমিল্লা প্রতিদিন ও পেশাজীবী সাংবাদিক সোসাইটির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির ১ম বৈঠক অনুষ্ঠিত পাটের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম কৃষকদল নেতার মৃত্যু: ঝিনাইদহে লাশ নিয়ে বিএনপির বিক্ষোভ, স্ট্রোকের দাবি জামায়াতের বিরলে ০৮ নং ধর্মপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ছাত্রনেতার যৌথ উদ্যোগে ৫০০ দরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ সখীপুরে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে হামলার আসামি অন্তর আহমেদ গ্রেপ্তার বিরল উপজেলা বিএনপি ও পৌর বিএনপি’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

ফেনী সদরের বিরিঞ্চি এলাকায় দুই শিশু হত্যার মূল আসামি জনি কে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ

মহিউদ্দিন মহি খন্দকার / ৬৭ Time View
Update : বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫

৫ ই নভেম্বর বুধবার সকালে ফেনী জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিং করেন জেলা পুলিশ সুপার মোঃ হাবিবুর রহমান। তিনি জানান;
ফেনী সদরের বিরিঞ্চি এলাকায় ঘরে আগুন দিয়ে দুই সহোদরকে পুড়িয়ে মারার চাঞ্চল্যকর ঘটনায় মূল আসামি কামাল হোসেন জনিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধ ও পূর্বশত্রুতার জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।

৪ নভেম্বর চট্টগ্রাম মহানগরীর সদরঘাট থানার মাদারবাড়ি এলাকায় টানা তিন দিন অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

উল্লেখ্য গত ৫ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখে বিরিঞ্চি এলাকার বাসিন্দা সহিদুল ইসলামের বসতঘরে রাতের আঁধারে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। এতে ঘুমন্ত অবস্থায় পুড়ে মারা যায় তাঁর দুই শিশুপুত্র মাহিদুল ইসলাম শাহাদাত (১৩) ও তানজিদুল ইসলাম গোলাপ (৬)।

এ ঘটনায় নিহত শিশুদের বাবা সহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে ১৩ জনকে আসামি করে ফেনী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর কয়েকজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হলেও মূল হোতা কামাল হোসেন জনি পলাতক ছিলেন।

পুলিশ জানায়, ঘটনার পর জনি প্রথমে ছাগলনাইয়া এবং পরে ‘কাসিম’ ছদ্মনামে চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, ঢাকা, হবিগঞ্জ ও কিশোরগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন। গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি নিজের নামে কোনো মোবাইল সিম ব্যবহার করতেন না এবং অন্যের ফোনের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জনি হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন। তিনি স্বীকার করেছেন, ঘটনার রাতে তিনি নিজে উপস্থিত ছিলেন এবং তাঁর তিন সহযোগী সরাসরি ঘরে আগুন দেয়। হত্যাকাণ্ডের ৩-৪ দিন আগে তারা একটি বাগানে বসে এর পরিকল্পনা করেছিল। জনির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ও জড়িত অন্যদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।

পুলিশ তদন্তের স্বার্থে অন্য আসামিদের নাম আপাতত প্রকাশ করেনি। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/