• শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কোটচাঁদপুরে ৩৯ পিস ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ​পল্টন মোড় থেকে নর্থ সাউথ রোড পর্যন্ত মূল সড়ক হকারমুক্ত ঘোষণা ডিএসসিসির শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ, ক্ষোভ প্রকাশ করে শ্রেণিকক্ষে পাঠালেন গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী দেবিদ্বারে বন্ধকী জুট মিলের যন্ত্রাংশ পাচারের চেষ্টা, ২ ট্রাকসহ গ্রেপ্তার ৮ বিরলে হাঁস-মুরগী ও শুকর লালন পালন বিষয়ক প্রশিক্ষন সম্পন্ন রাবি বিএনসিসির প্রথম নারী সিইউও গৌরীপুরের অপর্ণা ১৮ মাস পর নিখোঁজ কিশোরী নিঝুম হত্যা রহস্য উদ্ঘাটন, আদালতে আসামির স্বীকারোক্তি দেবিদ্বারে মা-ভাতিজিকে হত্যার দায় স্বীকার, আদালতে ইমনের জবানবন্দি শিক্ষার মান উন্নয়নে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দিয়েছে সরকার….সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক এমপি ঝিনাইদহে শিশু হত্যার দায়ে একমাত্র নারী আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

ফেনী সদরের বিরিঞ্চি এলাকায় দুই শিশু হত্যার মূল আসামি জনি কে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ

মহিউদ্দিন মহি খন্দকার / ১১৫ Time View
Update : বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫

৫ ই নভেম্বর বুধবার সকালে ফেনী জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিং করেন জেলা পুলিশ সুপার মোঃ হাবিবুর রহমান। তিনি জানান;
ফেনী সদরের বিরিঞ্চি এলাকায় ঘরে আগুন দিয়ে দুই সহোদরকে পুড়িয়ে মারার চাঞ্চল্যকর ঘটনায় মূল আসামি কামাল হোসেন জনিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধ ও পূর্বশত্রুতার জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।

৪ নভেম্বর চট্টগ্রাম মহানগরীর সদরঘাট থানার মাদারবাড়ি এলাকায় টানা তিন দিন অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

উল্লেখ্য গত ৫ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখে বিরিঞ্চি এলাকার বাসিন্দা সহিদুল ইসলামের বসতঘরে রাতের আঁধারে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। এতে ঘুমন্ত অবস্থায় পুড়ে মারা যায় তাঁর দুই শিশুপুত্র মাহিদুল ইসলাম শাহাদাত (১৩) ও তানজিদুল ইসলাম গোলাপ (৬)।

এ ঘটনায় নিহত শিশুদের বাবা সহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে ১৩ জনকে আসামি করে ফেনী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর কয়েকজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হলেও মূল হোতা কামাল হোসেন জনি পলাতক ছিলেন।

পুলিশ জানায়, ঘটনার পর জনি প্রথমে ছাগলনাইয়া এবং পরে ‘কাসিম’ ছদ্মনামে চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, ঢাকা, হবিগঞ্জ ও কিশোরগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন। গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি নিজের নামে কোনো মোবাইল সিম ব্যবহার করতেন না এবং অন্যের ফোনের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জনি হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন। তিনি স্বীকার করেছেন, ঘটনার রাতে তিনি নিজে উপস্থিত ছিলেন এবং তাঁর তিন সহযোগী সরাসরি ঘরে আগুন দেয়। হত্যাকাণ্ডের ৩-৪ দিন আগে তারা একটি বাগানে বসে এর পরিকল্পনা করেছিল। জনির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ও জড়িত অন্যদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।

পুলিশ তদন্তের স্বার্থে অন্য আসামিদের নাম আপাতত প্রকাশ করেনি। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/