• রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১১:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নেছারাবাদে বন্ধুকে মাথাবিচ্ছিন্ন করে হত্যা গ্রেপ্তার ২ জমকালো আয়োজনে দৈনিক কুমিল্লা প্রতিদিন ও পেশাজীবী সাংবাদিক সোসাইটির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির ১ম বৈঠক অনুষ্ঠিত পাটের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম কৃষকদল নেতার মৃত্যু: ঝিনাইদহে লাশ নিয়ে বিএনপির বিক্ষোভ, স্ট্রোকের দাবি জামায়াতের বিরলে ০৮ নং ধর্মপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ছাত্রনেতার যৌথ উদ্যোগে ৫০০ দরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ সখীপুরে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে হামলার আসামি অন্তর আহমেদ গ্রেপ্তার বিরল উপজেলা বিএনপি ও পৌর বিএনপি’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জ উল্লাপাড়ায় ট্রেনের ধাক্কায় দুই যুবকের মৃত্যু সখিপুর টাইগার ক্লাব আয়োজিত ইফতার ও দ্বি বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

“সরকারি প্রোগ্রামে আওয়ামী লীগের পুনঃপ্রবেশ: বেলকুচিতে উত্তেজনা ছড়াচ্ছে”

মোঃইয়াছিন আলী (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি: / ২১০ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৫

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে উপজেলা পর্যায়ের সরকারি প্রোগ্রামগুলোতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নিয়মিত উপস্থিতি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র বিতর্ক দেখা দিয়েছে। দীর্ঘ ১৭ বছর ক্ষমতায় থাকা দলটির বিরোধী মত দমন, সাধারণ মানুষকে হয়রানি ও নির্যাতনের ইতিহাস থাকা সত্ত্বেও, তারা সরকারি মঞ্চের মাধ্যমে পুনরায় দৃশ্যমান হওয়ার চেষ্টা করছে।

সম্প্রতি এক সরকারি অনুষ্ঠানে উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র উপদেষ্টা ও সাবেক সভাপতি সাইদুর রহমানকে বিশেষ অতিথি হিসেবে ডাকা হয়। স্থানীয়দের প্রশ্ন—যে রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় থাকাকালীন জনগণের স্বার্থ উপেক্ষা করেছে, তারা কীভাবে সরকারি অনুষ্ঠানে বিশেষ স্থান পেতে পারে?

এ ঘটনার সঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরিন জাহানের ভূমিকা নিয়েও সমালোচনা চলছে। অভিযোগ, তিনি সরকারি অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের নেতাদের জন্য নিয়মিত ‘ঠাঁই’ করে দিচ্ছেন, যা প্রশাসনিক নিরপেক্ষতার পরিপন্থী। স্থানীয়রা মনে করছেন, এটি একটি সুপরিকল্পিত প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে আওয়ামী লীগ স্থানীয় পর্যায়ে পুনরায় প্রভাব বিস্তার করতে চাচ্ছে।

একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, “যারা বছরের পর বছর সাধারণ মানুষকে কষ্ট দিয়েছে, তাদের আবার সরকারি মঞ্চে তুলে দেওয়া আমাদের জন্য অপমানজনক। এটি স্থানীয় সরকারের নিরপেক্ষতার ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নষ্ট হলে শুধু রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পায় না, বরং স্থানীয় উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডেও প্রভাব পড়ে। “যদি রাজনৈতিক প্রভাব এইভাবে প্রশাসনে প্রবেশ করতে থাকে, তবে জনগণের আস্থা ক্ষুণ্ণ হবে এবং সামাজিক বিভাজন বাড়বে,” মন্তব্য করেন বিশ্লেষকরা।

স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, বর্তমান পরিস্থিতি যদি অনিয়ন্ত্রিত থাকে, তবে এটি ভবিষ্যতে বড় ধরনের রাজনৈতিক সংঘাতের জন্ম দিতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানাচ্ছে, উপজেলা পর্যায়ে সরকারি ও রাজনৈতিক মঞ্চের এ ধরনের ব্যবহার নিয়ে ইতোমধ্যে বেশ কিছু মতভেদ ও গসিপ শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, সরকারি প্রোগ্রামগুলিকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখাই জনগণের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/