কিশোরগঞ্জে ভূমি ও স্থাপনার অধিগ্রহণের টাকা দ্রুত দেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন ও জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে।
রবিবার (২৩ ডিসেম্বর) কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে দুপুর ১২টা থেকে ঘন্টাব্যাপী ভূমি অধিগ্রহণের টাকা দ্রুত দেওয়ার দাবিতে
মানববন্ধন করেছে অধিগ্রহণকৃত জমির মালিকগণ। মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসক বরাবর ভুক্তভোগী জমির মালিকেরা স্মারকলিপি প্রদান করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বিগত ২০১৯-২০২০ এর আওতায় কিশোরগঞ্জ- করিমগঞ্জ
চামটাঘাট রাস্তা সম্প্রসারণ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। কিন্তু আমরা প্রায়
কয়েকশত পরিবার অধিগ্রহনের টাকা আজ পর্যন্ত পাইনি। এলএ কেস নং ৯ এর টাকা এখনো পরিশোধ করেনি কতৃর্পক্ষ।
রাস্তার পাশে অনেক বাড়িঘর পড়েছে অধিগ্রহণে। অধিগ্রহণকৃত টাকা না পাওয়াতে এখনো আমরা বাড়িঘর মেরামত করতে পারছি না।
অধিগ্রহণ করার পর প্রায় ৭০ ভাগ কাজ শেষ হলেও আমরা অধিগ্রহনের টাকা হাতে পাইনি।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান বলেন,
অধিগ্রহণের টাকা পাওয়ার একটা প্রক্রিয়া আছে। আমরা প্রাক্কলন প্রস্তুতক্রমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে গত মে মাসে পাঠিয়ে দিয়েছি। ডিসেম্বর মাস চলছে এখনো আমরা প্রাক্কলিত অর্থ পাইনি। আমরাও চাই ভুক্তভোগীদের টাকা তাদের
হাতে পৌঁছে দিতে। এজন্য সড়ক ও জনপদের জায়গা জমি অধিগ্রহণের প্রায় ১শত ২৪ কোটি টাকার প্রপোজাল মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা, বারবার তাগিদ ও বিভিন্ন উপায়ে তদবির করে যাচ্ছি। আশাকরি আগামী কিছু দিনের মধ্যেই ভালো একটা সংবাদ পাবো।
কিশোরগঞ্জ সড়ক ও জনপথ প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী শাকিল
মোহাম্মদ ফয়সাল বলেন, আমাদের এ প্রকল্পের ৫টি এলএ মামলা ছিল। আমরা ইতিমধ্যে ৪টি টাকা দিয়ে দিয়েছি। শুধুমাত্র একটি রয়েছে। এটার প্রাক্কলিত মূল্য ১২৩ কোটি টাকা।
মানবন্ধনে চামটা বন্দর করিমগঞ্জের ভুক্তভোগীর পক্ষে বক্তব্য রাখেন মো:
কবির উদ্দিন ভুইয়া (৪৪) পিতা গোলাপ ভুইয়া, মো: আজহারুল ইসলাম আরজু (৫৫) পিতা মিয়াফর আরী, মো: জুয়েল মিয়া (৩৮) পিতা আ: হক, মো: রেনু মিয়া (৫৬) পিতা মজিদ মিয়া, মো: হেলাল মিয়া (৪৩) পিতা মেয়াফর, মো: হেলিম মিয়া (৪০) পিতা: আফির উদ্দিন।
ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনকালে প্রায় দুই শতাধিক ভুক্তভোগী পরিবার অংশগ্রহণ করেন।
https://slotbet.online/