ফেনীতে গাছের সাথে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে মডেল থানায় পুলিশ নিহতের নাম এনামুল হক (৫০) তিনি ফেনী আদালতের সেরেস্তাদার। নিহত এনামুল হক ফেনী সদর উপজেলার পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের নগরকান্দা গ্রামের মৃত ফজলুল হকের ছেলে। তিনি পরিবার নিয়ে শহরের বারাহীপুর এলাকার মোমেনা ম্যানশনে ভাড়া থাকেন।
থানায় সূত্রে জানা গেছে;
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরের দিকে জেলার সদর উপজেলার ফতেহপুর রেলওয়ে ওভারপাস সংলগ্ন এলাকায় ঝোপের মধ্যে গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত মরদেহটি দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। ফেনী মডেল থানার এসআই ফারুক মিয়ার নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অর্ধ ঝুলন্ত অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ।
ঘটনাস্থলে সুরতহাল শেষে পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি ফেনী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটি আসেন নিহতের ছেলে সৈকত। তিনি জানান, সকাল ৭টার দিকে তার বাবা বাসা থেকে বের হন। এরপর থেকে আর তাদের সাথে যোগাযোগ হয়নি।
এদিকে ঘটনাস্থল থেকে এনামুল হকের লাশ উদ্ধার ও বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছেন পুলিশ। লাশের আশপাশে তার সোয়ার্টার ও একটি জুতা পড়েছিল।
এছাড়া তাকে টেনে হিঁচড়ে ঝোপের ভিতরে নেয়ার চিহ্নও ছিল। কয়েকজন মিলে ধস্তাধস্তি করে হত্যার পর গলায় জামা পেঁচিয়ে মরদেহ গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
ফেনী মডেল থানার ওসি গাজী মোহাম্মদ ফৌজুল আজিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও লাশ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নিশাত তাবাসসুম বলেন, তদন্ত ছাড়া তাৎক্ষণিক কিছু বলা যাচ্ছে না। এখন ও পর্যন্ত নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে তেমন কোনো তথ্য দিতে পারেননি।
ফলে বিষয়টি নিয়ে পুলিশ এখনও ধোঁয়াশার মধ্যে রয়েছে; তদন্তে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে বলে জানিয়েছেন।
https://slotbet.online/