আবু বক্কর সিদ্দিক স্বপন, ঝিনাইদহ : ঝিনাইদহ-চুয়াডাঙ্গা আঞ্চলিক মহাসড়কের প্রায় ৬/৭ কিলোমিটার জায়গা এখন খানাখন্দে ভরা। বৃষ্টি হলেই এসব গর্তে পানি বেধে থাকে। দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় এমন অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে বলছেন স্থানীয়রা। প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে হাজারো মানুষ ও যানবাহন চলাচল করলেও, রাস্তাটির বেহাল অবস্থার কারণে তাদের পড়তে হচ্ছে চরম ভোগান্তিতে।
প্রতিদিন এই রাস্তায় যাতায়াত করা পণ্যবাহী ট্রাক, বাস, মোটরসাইকেল ও ইজিবাইকের চালকরা বলছেন খানাখন্দে ভরা এই সড়কে চলাচল করা এখন যেন এক রকম যুদ্ধ। বৃষ্টি হলে রাস্তার গর্তগুলো পানি ভরে যায়, বোঝা যায় না কোথায় রাস্তা ভাঙা আর কোথায় সমান। ফলে প্রায়ই ঘটে দুর্ঘটনা।
ঝিনাইদহ সড়ক ও জনপথ বিভাগের তথ্য মতে ঝিনাইদহ-চুয়াডাঙ্গা আঞ্চলিক মহাসড়কে ঝিনাইদহের অংশ ২০.৯৭ কিলোমিটার। বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ করে রাস্তা বিভিন্ন সময় সংস্কার করা হয়েছে। যেটি আগে করা হয়েছে সেটি অনেকটা চলাচলের অনুপযোগি হয়ে পড়েছে।
সরজমিনে গিয়ে দেখাগেছে, ঝিনাইদহ শহরের চুয়াডাঙ্গা বাস স্ট্যান্ড থেকে ঝিনাইদহ পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির কার্যালয় পর্যন্ত এবং নগরবাথান থেকে আমেরচারা পর্যন্ত ৬/৭ কিলোমিটার রাস্তার কার্পেট উঠে গিয়ে খানাখন্দ পরিণত হয়েছে। ডাকবাংলা বাজার থেকে দশমাইল পর্যন্ত কিছু অংশে খানাখন্দে পরিণত হয়েছে।
ঝিনাইদহ থেকে চুয়াডাঙ্গা গামী বাস চালক বলেন, সপ্তাহে দুইদিন চুয়াডাঙ্গায় যেতে হয়। গত একবছরে ঝিনাইদহ থেকে চুয়াডাঙ্গা রাস্তার যে দশা হয়েছে তা বলার মতো নয়।
ইজিবাইক চালক বলেন, রাস্তায় খানাখন্দে ভরে গেছে। যাত্রী নিয়ে গাড়ি চালাতে অনেক কষ্ট হয়। ভয়ে থাকি গর্তে চাকা পড়ে কখন যানি গাড়ি উল্টে যায়।
ট্রাক চালক বলেন, ট্রাকে মালামাল বোঝাই করে এই সড়কে চলাচল খুবই ঝুকির হয়ে দাড়িয়েছে। বিশেষ করে রাতে চলাচল খুবই কঠিন।
ঝিনাইদহ সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হাফিজুর রহমান জানান, ঝিনাইদহ চুয়াডাঙ্গা আঞ্চলিক সড়কের চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড থেকে আমেরচারা পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার সড়কের সংস্কার কাজের টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ করে। জহুরুল লিমিটেড কে ইতোমধ্যে ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বৃষ্টির কারণে কাজ শুরু করা যাচ্ছে না। কিছুদিনের মধ্যেই এই সড়কের সংস্কার কাজ শুরু করা হবে বলে তিনি জানান।
https://slotbet.online/