বাংলাদেশের রাজনীতিতে যখন গণতান্ত্রিক চর্চার সংকট ঘনীভূত, তখন একটি শক্তিশালী, জনসম্পৃক্ত নেতৃত্বের চাহিদা আগের চেয়ে অনেক বেশি। ঝিনাইদহ-৩ (কোটচাঁদপুর-মহেশপুর) আসনেও সেই আকাঙ্ক্ষা তীব্র। এ এলাকার মানুষ বহুদিন ধরে কার্যকর ও নিবেদিত প্রাণ নেতৃত্বের প্রত্যাশা করছে
যিনি শুধু দলের প্রতিনিধি হবেন না, হবেন সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বরও।
বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, বর্ষীয়ান আইনজীবী নেতা ও সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সম্পাদক জননেতা ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল যে আস্থা ও জনপ্রিয়তা তৈরি করেছেন, তা অনস্বীকার্য। তিনি শুধু একজন প্রথিতযশা আইনজীবীই নন, বরং একজন মাঠকর্মী, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের ভোটাধিকার ফেরত দিতে যিনি ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের প্রতিটি ধাপে সক্রিয় ছিলেন। দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে তাঁর ভূমিকা স্পষ্ট ও প্রভাববাহী।
জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব এবং ছাত্রদলের সাবেক আইন বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতা ইতিমধ্যে প্রমাণিত। বার কাউন্সিল ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতিতে একাধিকবার নির্বাচিত হওয়া তাঁর গ্রহণযোগ্যতার শক্ত প্রমাণ। একজন ‘হেভিওয়েট’ প্রার্থী হিসেবে এলাকায় তাঁর গ্রহণযোগ্যতা ও প্রভাব বরাবরই দৃশ্যমান।
জনগণের পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা ও একটি কার্যকর নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় রেখে বিএনপি যদি এমন একজন পরীক্ষিত ও জনসমর্থিত প্রার্থীকে মনোনয়ন দেয়, তবে ঝিনাইদহ-৩ আসনে একটি নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে বলেই মনে হয়।
https://slotbet.online/