বিরলে লিচু-আম গাছের ডাল ও কলাগাছ কাটার বিষয়ে বাঁধা নিষেধ করায় মারপিটে আহত হয়েছে পিতা-মাতা কন্যাসহ ৪ জন। আহতরা চিকিৎসাধীন রয়েছে। ঘটনায় থানায় এজাহার দায়ের হয়েছে।
বিরল পৌরসভার পাইকপাড়ার মৃত এমাজ উদ্দিনের ছেলে মোঃ আমান হোসেন (৮০), জানান, দলু মোহাম্মদ এর ছেলে
মোঃ আব্দুল (৪৮), মোঃ আব্দুল এর ছেলে মোঃ আমির আলী (১৩), মোঃ আব্দুল এর স্ত্রী মোছাঃ আরজু বেগম (৪০) কে লিচু, আম গাছের ডাল ও কলাগাছ কাটার বিষয়ে বাঁধা নিষেধ করায় ৯জুন /২০২৫ সোমবার দুপুর ২ টায় হাতে গাছের ডাল ও ধারালো চাকু নিয়ে আমার ছেলে মোঃ গোলাম রব্বানী (৩৬) এর বাড়ীর খুলিয়ানে অনধিকার প্রবেশ করে গোলাম রব্বানীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। তখন আমার ছেলে গোলাম রব্বানী বাড়ীর ভিতর হতে বাহির হয়ে তাদেরকে গালিগালাজ করতে বাঁধা নিষেধ করলে শালাকে চাকু দিয়ে আঘাত করে শেষ করে দাও হুকুম দিয়ে গোলাম রব্বানীর দুই হাত দুই দিকে টেনে ধরে ধারালো চাকু দিয়ে আমার ছেলে গোলাম রব্বানীকে হত্যার উদ্দেশ্যে পেটে স্বজোরে পোচ দেয়। তখন আমার ছেলে গোলাম রব্বানী ডান দিকে ঘুরলে উক্ত পোচ গোলাম রব্বানীর ডান পাশের পাজোরে লেগে চামড়া কেটে অনুমান ৩ইঞ্চি ভিতরে ঢুকে গিয়ে মারাত্বক রক্তাক্ত কাটা জখম হয় এবং পেটের ভুড়ি দেখা যায়। আমার ছেলে গোলাম রব্বানী চিৎকার করলে ধারালো চাকু দিয়ে পূণরায় এলোপাথারী আঘাত করে আমার ছেলে গোলাম রব্বানীর ডান হাতে, পিঠে এবং ডান ঘাড়ে মারাত্বর রক্তাক্ত গুরুত্বর কাটা জখম করে। আমার ছেলে গোলাম রব্বানী মাটিতে পড়ে গেলে গাছের ডাল দিয়ে আমার ছেলে গোলাম রব্বানীর বাম হাতে আঘাত করে বাম হাতের কুনুয়ের উপরে হাড় ভেঙ্গে নিলা জখম করে। এমন সময় আমার ছেলের স্ত্রী মোছাঃ রুনা খাতুন (৩০) এগিয়ে এসে আমার ছেলে গোলাম রব্বানীকে উদ্ধারের চেষ্টা করলে আমার ছেলের স্ত্রীকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো চাকু দিয়ে পোচ দেয়। তখন আমার ছেলের স্ত্রী তার ডান হাত দিয়ে ঠেকালে উক্ত চাকুর পোচ তার ডান হাতে কবজির উপরে লেগে মারাত্বক গুরুত্বর রক্তাক্ত কাটা জখম হয়। সেই সময় গোলাম রব্বানীর মেয়ে রিংকু (১২) ও মিষ্টি(০৫) দ্বয় চিৎকার দিয়ে এগিয়ে আসলে ধারালো চাকুদ্বারা রিংকু ও মিষ্টি কে হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাথারী আঘাত করে রিংকুর মাথার উপরে এবং মিষ্টির ডান কাঁধে সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত কাটা জখম করে। আমার ছেলে, ছেলের স্ত্রী ও নাতনীদ্বয়ের চিৎকারে সাক্ষীদ্বয় সহ আরো অনেকে গিয়ে এসে আমার ছেলে, ছেলের স্ত্রী ও নাতনীদ্বয়কে জীবনে রক্ষা করে। তাদের মারপিটের ফলে আমার ছেলে গোলাম রব্বানী, ছেলের স্ত্রী রুনা খাতুন ও নাতনী রিংকু, মিষ্টি মারাত্বক জখমপ্রাপ্ত হওয়ায় তাদেরকে বিরল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করে নেয়। ঘটনায় উল্লেখিতদের বিরুদ্ধে আমান হোসেন বাদী হয়ে একটি এজাহার দায়ের করেছে।
https://slotbet.online/