মহিউদ্দিন মহি খন্দকার
স্টাফ রিপোর্টার ॥
ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার ঘোপাল ইউনিয়নের পূর্ব ঘোপাল গ্রামের মৃত সালেহ আহমেদ এর সন্তান প্রবাসী কামরুল ইসলামের পরিবারের উপর হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে । তাঁর স্ত্রী উম্মে ইমু, মেয়ে উম্মে ইয়ামিন এবং বৃদ্ধ মাকে সন্ত্রাসীরা লোহার রড, হকিস্টিক ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করেছে।
আহত উন্মে ইমু বলেন, আমার স্বামী কামরুল ইসলাম এলাকার পূর্ব ঘোপাল একতা সংসদের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন। ওই সময় মাদকবিরোধী কার্যক্রম চালিয়ে এলাকা মাদকমুক্ত করেন। এতে কিছু মাদক কারবারি ও চাঁদাবাজ তাঁর উপর ক্ষিপ্ত ছিলেন।
তাঁর অভিযোগ, গত ১৪ আগষ্ট তাঁর অসুস্থ শ্বাশুড়িকে দেখতে মেয়েসহ গ্রামের বাড়িতে গেলে এসময় স্থানীয় সন্ত্রাসী আসিফ , মোবারক, শরিফ, শুভসহ ৯/১০ জন দুর্বৃত্ত তাদের উপর হামলা করে। বেধড়ক মারধর করে এবং তাঁর স্বামীকে খুঁজতে থাকে। হামলায় তাঁর অসুস্থ শ্বাশুড়িও আহত হন।
তিনি আরো বলেন, আমাদের উপর হামলার সময় এলাকার শত শত মানুষ দেখলে ও তাদের ভয়ে এগিয়ে আসতে পারেনি। পরে মুমূর্ষু অবস্থায় আমাদেরকে উদ্ধার করে ছাগলনাইয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
প্রবাসী কামরুল ইসলাম জানান, সন্ত্রাসীচক্রটি আমার কাছে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। না দিলে আমার স্ত্রী সন্তানকে হত্যা করার হুমকি দেয়। তাদের অব্যাহত হুমকির মুখে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দিই। তাদের দাবিকৃত ২ লাখ টাকা না দেওয়ায় তাঁর পরিবারের লোকজনকে মারধর করে। তিনি বলেন, আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
ছাগলনাইয়া থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসান ইমামকে একাধিকবার মোবাইলে ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।
উল্লেখ্য, গত ১১ই নভেম্বর ২০২২ইং ছাগলনাইয়া উপজেলায় মাদক ও নারী নির্যাতন এর বিরুদ্ধে আয়োজনের “পূর্ব গোপাল একতা সংসদ ” এর সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামরুল ইসলাম (৩৩) অনুষ্ঠান শেষে বাড়ি ফেরার পথে জয়পুর গ্রামে হামলা শিকার হন।
কামরুল ইসলাম জানিয়েছেন, ছাগলনাইয়া ১০নং গোপাল ইউনিয়নের ছাএ লীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম এর নেতৃত্বে শরীফ আবদুর রহিম সহ ছাত্রলীগের কর্মীরা মোটরসাইকেল নিয়ে এসে হামলা চালায়, আহত অবস্থায় রাস্তা ফেলে চলে গেলে স্থানীয় লোকজন হাসপাতালে নিয়ে যান।
উন্মে ইমু আরো বলেন,, মাদক কারবারি ও সন্ত্রাসীদের অব্যাহত হুমকি ও হামলার কারণে আমার স্বামী বিদেশে চলে যান। আমরা ও বাড়ি ছেড়ে গত ১ বছর যাবত অন্যত্র বসবাস করছি।
https://slotbet.online/