নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকার দোহার উপজেলার সাইনপুকুর তদন্ত কেন্দ্রের এএসআই মেহেদী হাসানকে জড়িয়ে প্রকাশিত সংবাদ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য যাচাই না করে অনলাইন নিউজ পোর্টালে সংবাদ প্রচারের কারণে ঢাকা জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে মেহেদী হাসানকে কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
বুধবার দোহার-নবাবগঞ্জ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শামীম হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। গত ২৭ অক্টোবর মঙ্গলবার বিকেলে দোহার থানায় একটি লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে এএসআই মেহেদী হাসান তদন্তে নামেন। গত বুধবার বিকেলে পশ্চিম চর এলাকার তদন্তে
গেলে অভিযুক্ত জুয়েল ও তার সঙ্গীরা দৌড়ে পালানোকালে হাসান মাতবর আটক হন। পরে ঐদিন রাতেই সন্দেহভাজন হাসানকে তার চাচা হারুন মাতবর, স্থানীয় জাকির হোসেন ও রতন গাজীর জিম্মায় লিখিত মুচলেকার মাধ্যমে জিডি এন্ট্রি করে ছেড়ে দেন পুলিশ।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরের দিন বুধবার দুপুর থেকেই অনলাইন নিউজ পোর্টাল এশিয়া বার্তাসহ বেশ কয়েকটি অনলাইনে মাদকাসক্তকে ছেড়ে দেন এএসআই মেহেদী এই শিরোনামে নিউজ প্রকাশিত হয়। বিষয়টি নিয়ে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হওয়াতে এবং উক্ত অনলাইনের মাধ্যমে সংবাদ প্রচারসহ প্রতিকার চেয়ে তা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন উক্ত অনলাইনের মালিক দাবী করা সাংবাদিক। এতে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের তাৎক্ষণিক নির্দেশে এএসআই মেহেদী হাসানকে মিল ব্যারাক পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়। এ বিষয়ে জিম্মাদার হারুন মাতবর এর মুঠোফোনে জানান, আমার ভাতিজা হাসান প্রবাস ফেরৎ অনেক দিন ধরে। বিশেষ করে তার ঘরে একসাথে ৫ কেজি চাউল কেনার সামর্থ নেই। সে লক্ষাধিক টাকা পাবে কোথা থেকে। সবই বানানো ঘটনা। সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে এএসআই বিরুদ্ধে অপপ্রচার, বিভিন্ন মহলের নিন্দা ও প্রতিবাদ দোহারের সুশীল সমাজের আহ্বান সাংবাদিকদের প্রতি সাংবাদিকতা হচ্ছে সত্য অনুসন্ধান ও জনস্বার্থে তথ্য তুলে ধরার দায়িত্বশীল পেশা। তাই কোনো ব্যক্তি বা পক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্যের সত্যতা যাচাই এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য নেওয়া সংবাদমাধ্যমের পেশাগত দায়িত্বের অংশ। এ বিষয়ে এএসআই মেহেদী হাসান বলেন, আমি শুধু আমার দায়িত্ব পালন করেছি যাহার প্রমাণ হলো সাইনপুকুর তদন্ত কেন্দ্রের জিডি নং-৬৩৬, তাং-২৭/১০/২০২৬ ইং। আর সেই ঘটনাকে মনগড়া মিথ্যা সাজিয়ে একাধিক অনলাইনে প্রকাশ করেন। যাহা আইন বিরোধী ও শাস্তিমূলক অপরাধের সামিল। দোহারে মাদক উদ্ধার অভিযানের কারণে কিছুদিন পরপর একটি মহল তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। কি কারণে তাও তিনি জানেন না এ ব্যাপারে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সুদৃষ্টি কামনা করেন তিনি।
প্রধান সম্পাদক: মুন্সী জামিল উদ্দিন প্রকাশক: মোসা মিতা খাতুন
সরকারি মিডিয়াভুক্ত জাতীয় দৈনিক বাংলার দূত
২১৯/১,নূরভবন (২য় তলা), ফকিরাপুল, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০
ফোন নাম্বার : ০১৭১৮৭৫২৯০৯
ইমেইল: dailybanglardoot@gmail.com
সর্ব স্বত্ব সংরক্ষিত এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি,ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যাবহার বেআইনি।
Copyright © 2026 banglar doot. All rights reserved.