পিরোজপুর-মঠবাড়িয়া-পাথরঘাটা-বরগুনা সড়কের দেবীপুর নামক স্থানে কাঁচামাল বোঝাই একটি ট্রাক নিয়ে বেইলি ব্রিজ ভেঙে খালে পড়ে গেছে। এর ফলে পিরোজপুরের সঙ্গে মঠবাড়িয়া উপজেলা ও পার্শ্ববর্তী জেলা বরগুনার সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
বুধবার (১০ জুন) ভোররাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই রুটে চলাচলকারী শত শত যানবাহন ও হাজারো যাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভোররাতে তুষখালি মঠবাড়িয়া এলাকার ব্যবসায়ী জাকির হোসেনের একটি কাঁচামাল বোঝাই ট্রাক অতিরিক্ত পণ্য নিয়ে দেবীপুর এলাকার ওই বেইলি ব্রিজের ওপর ওঠে। অতিরিক্ত ওজনের কারণে ব্রিজটি মাঝখান থেকে ভেঙে ট্রাকসহ খালে পড়ে যায়। ঘটনার পর থেকেই এই অঞ্চলের সব ধরনের যানচলাচল বন্ধ রয়েছে এবং ব্রিজের দুই পাড়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
ব্রিজটি ভেঙে পড়ার পর থেকে পিরোজপুর, মঠবাড়িয়া ও বরগুনার মধ্যে সরাসরি যাতায়াতকারী দূরপাল্লার বাসসহ পণ্যবাহী শত শত ট্রাক ও অন্যান্য যানবাহন রাস্তার দুই পাশে আটকে আছে। সাধারণ মানুষকে পায়ে হেঁটে বা বিকল্প উপায়ে পারাপারের চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আকলিমা আক্তার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বেইলি সেতুটি পুরাতন। সেতু সর্বোচ্চ ধারণ ক্ষমতা ছিল ২০ মেট্রিক টন। কিন্তু ট্রাকটিতে ধারণ ক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি ওজনের আলু বোঝাই থাকায় ভেঙে খালে পড়েছে। এতে জনদুভোগের সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে পিরোজপুর সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাসেল জানান, বেইলি ব্রিজটি ভেঙে পড়ার খবর পেয়ে তারা দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছেন।
তিনি বলেন, 'আমরা বিষয়টি ইতিমধ্যে আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে খালে পড়ে যাওয়া ট্রাকটি উদ্ধার করে এবং ব্রিজটি মেরামত করে যানচলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।' তবে ঠিক কখন নাগাদ যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি সচল হবে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট করে কিছু জানাতে পারেননি এই কর্মকর্তা।
প্রধান সম্পাদক: মুন্সী জামিল উদ্দিন প্রকাশক: মোসা মিতা খাতুন
সরকারি মিডিয়াভুক্ত জাতীয় দৈনিক বাংলার দূত
২১৯/১,নূরভবন (২য় তলা), ফকিরাপুল, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০
ফোন নাম্বার : ০১৭১৮৭৫২৯০৯
ইমেইল: dailybanglardoot@gmail.com
সর্ব স্বত্ব সংরক্ষিত এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি,ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যাবহার বেআইনি।
Copyright © 2026 banglar doot. All rights reserved.