মুসলিম হক, বিরল (দিনাজপুর), বিরল উপজেলার ধর্মপুর বিট কর্মকর্তা মহসিন আলী এর বদলিজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নবাগত বিট কমকর্তা হিসেবে যোগদান করেন, শ্রী কনক সরকার।
কালিয়াগঞ্জ ডাকবাংলায় বৃহস্পতিবার বিকালে বিদায় সংবর্ধনা ও বরন অনুষ্ঠান আয়োজন করেন সদর রেঞ্জ, দিনাজপুর এবং, স্থানীয় জনসাধারণ। আজাহার আলীর পাটোয়ারী সঞ্চালনায়,সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা মোম্মদ মাসুদ রানা সরকারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন
০৮ নং ধর্মপুর ইউনিয়ন পরিষদের বারবার নির্বাচিত স্বর্ণপদক প্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব মোঃ নুর ইসলাম, এছাড়াও বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রাখেন, ০৮ ধর্মপুর ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি আনোয়ার হোসেন মেম্বার, শ্রী অধীনচন্দ্র সরকার( মাস্টার) শ্রী যতীন চন্দ্র সরকার( মাস্টার) রহমান মেম্বার ইউপি সদস্য , নাজমুল হোসেন বিশিষ্ট ঠিকাদার, সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন,
প্রধান অতিথির বক্তব্য নুর ইসলাম চেয়ারম্যান বলেন,
শুধু বন বিভাগের একার পক্ষে , ধর্মপুর শালবন রক্ষা করা সম্ভব হবে না। সরকারের পাশাপাশি ক্ষুদ্র নৃ-তাত্ত্বিক গোষ্ঠীরও এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। পরিবেশ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়কে এজন্য সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
ধর্মপুর শালবনকে বাঁচাতে বিভিন্ন প্রাকৃতিক পদ্ধতির মাধ্যমে সমাধান খোঁজার প্রতিও জোর দেন বক্তারা। সালবনে পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন গাছ রোপণ করে তার সুরক্ষা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। বন সংরক্ষণে সরকারের উদ্যোগ ফলপ্রসূ হবে এ আশা করা যায়।
দেশের জাতীয় অর্থনীতিতেও ধর্মপুর শশালবনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এটি দেশের বনজ সম্পদের একক বৃহত্তম উৎস। এ বন কাঠের ওপর নির্ভরশীল শিল্পে কাঁচামাল জোগান দেয়। এছাড়া কাঠ, জ্বালানি ও মণ্ডের মতো প্রথাগত বনজ সম্পদের পাশাপাশি ঘর ছাওয়ার পাতা, মধু, মৌচাকের মোম, মাছ, কাঁকড়া ও শামুক-ঝিনুক ব্যাপকভাবে আহরণ করা হয়। বৃক্ষপূর্ণ ভূমি একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় আবাসস্থল, পুষ্টি উৎপাদক, পানি বিশুদ্ধকারক, পলি সঞ্চয়কারী, ঝড় প্রতিরোধক, উপকূল স্থিতিকারী, শক্তি সম্পদের আধার এবং পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গণ্য হয়ে থাকে।
ঘূর্ণিঝড়ের আঘাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে প্রাকৃতিক প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়ে আছে বন। সিডর, আইলা, ফণী, আম্ফান, বুলবুলসহ ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় ম্যানগ্রোভের প্রাচীর কতটা শক্তিশালী সেটা বারবার জানান দিয়েছে এই বন। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি মানবসৃষ্ট আঘাত পেতে পেতে এখন বন নিজেই বিপদের মুখে পড়েছে। এজন্য দেশের স্বার্থেই বনকে রক্ষা করতে হবে। হুমকির মুখে পড়লে বাংলাদেশের অস্তিত্ব বিপন্ন হয়ে যাবে।
বনের আয়তন কমে আসায় প্রতিবেশ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কমে আসছে গাছগালা, লতাগুল্ম ও প্রাণী। নানা প্রতিকূলতার মধ্যে বন দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। এটি কোনো ইতিবাচক লক্ষণ নয়।
ধর্মপুর শালবনের মধ্যে ছোট-বড় অসংখ্য নদী ও খাল রয়েছে।বন বেঁচে থাকলে তা ঘূর্ণিঝড়ের সামনে শক্তিশালী দেয়াল হয়ে দাঁড়াতে পারবে। এছাড়া পরিবেশকে সুরক্ষিত রাখতে এ বনকে বাঁচিয়ে রাখা জরুরি। এজন্য সংশ্লিষ্ট সবার দায়িত্বশীল ভূমিকা কাম্য।
প্রধান সম্পাদক: মুন্সী জামিল উদ্দিন প্রকাশক: মোসা মিতা খাতুন
সরকারি মিডিয়াভুক্ত জাতীয় দৈনিক বাংলার দূত
২১৯/১,নূরভবন (২য় তলা), ফকিরাপুল, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০
ফোন নাম্বার : ০১৭১৮৭৫২৯০৯
ইমেইল: dailybanglardoot@gmail.com
সর্ব স্বত্ব সংরক্ষিত এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি,ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যাবহার বেআইনি।
Copyright © 2026 banglar doot. All rights reserved.