বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম বলেছেন, ‘পাট আমাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। একসময় এই সোনালী আঁশেই বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশের পরিচিতি ছিল, তবে বর্তমানে এ খাতটি কিছুটা পিছিয়ে পড়েছে।’
শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় 'টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইন্সটিটিউট' প্রকল্পের কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার আগে নির্বাচনী ইশতেহারে বন্ধ পাটকলগুলো পুনরায় চালু করা এবং এ খাতে নতুন বৈচিত্র্য এনে কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা জানেন, ২০০১ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময়ে প্লাস্টিক নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় আমরা আবারও প্লাস্টিকের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলব এবং মানুষকে চট ও পাটের পণ্য ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করব।’
ইতিমধ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সরকারি দফতরে পাটপণ্যের ব্যবহার বাড়াতে সরকার উদ্যোগী হয়েছে বলেও জানান তিনি। এছাড়া নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহনে পাটের ব্যবহার নিশ্চিত করার পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী।
শরীফুল আলম বলেন, ‘আমাদের সরকারের মেয়াদ কম হলেও আমরা দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা করছি, যাতে অল্প সময়ের মধ্যেই দৃশ্যমান ফলাফল পাওয়া যায়। পাটের ফলন ও মানসম্পন্ন বীজ উৎপাদন বৃদ্ধি, বন্ধ মিলগুলো চালু করা এবং কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যে আমরা কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছি।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব বিলকিস জাহান রিমি, গণপূর্ত বিভাগ পিরোজপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শহীদুল ইসলাম, ভাণ্ডারিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন আকন, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল মান্নান হাওলাদার, সদস্য সচিব মাসুদ রানা পলাশ, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বিপ্লবসহ স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
প্রধান সম্পাদক: মুন্সী জামিল উদ্দিন প্রকাশক: মোসা মিতা খাতুন
সরকারি মিডিয়াভুক্ত জাতীয় দৈনিক বাংলার দূত
২১৯/১,নূরভবন (২য় তলা), ফকিরাপুল, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০
ফোন নাম্বার : ০১৭১৮৭৫২৯০৯
ইমেইল: dailybanglardoot@gmail.com
সর্ব স্বত্ব সংরক্ষিত এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি,ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যাবহার বেআইনি।
Copyright © 2026 banglar doot. All rights reserved.