মোঃ নজরুল ইসলাম খান, স্টাফ রিপোর্টার: হবিগঞ্জ -১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জনাব রেজা কিবরিয়া ( বেসরকারিভাবে) বিজয়ী হয়েছেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করে ১ লাখ ১১ হাজার ৯৯৯ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাওলানা সিরাজুল ইসলাম এগারো দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী ছিলেন তার প্রতীক ছিল রিকশা। তিনি পেয়েছেন ৫৬ হাজার ১৩২ ভোট।
হবিগঞ্জ-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জনাব আবু মনসুর সাখাওয়াত হাসান (বেসরকারিভাবে) বিজয়ী হয়েছেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করে ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ২৬ হাজার ৫৮৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এগারো দলীয় জোট প্রার্থী মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ দেওয়াল ঘড়ি প্রতীকে নির্বাচন করে পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৭৬২ ভোট।
হবিগঞ্জ-৩ আসনে মোঃ জি কে গউছ বিএনপি মনোনীত প্রার্থী (বেসরকারিভাবে) বিজয়ী হয়েছেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করে ১ লাখ ৪২ হাজার ৩৪৮ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কাজী মহসিন আহমদ এগারো দলীয় জোট জামায়াতে ইসলাম মনোনীত প্রার্থী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে নির্বাচন করে ৪৫ হাজার ৫৬৮ ভোট পেয়েছেন।
হবিগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জনাব এস.এম. ফয়সল ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন।
গণমানুষের প্রত্যক্ষ রায়ে এবং চা শ্রমিকদের অভূতপূর্ব সমর্থনে হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সৈয়দ মো. ফয়সল। বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৮৮ হাজার ৭২ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের প্রার্থী মুফতি মোঃ গিয়াস উদ্দিন তাহেরী পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৩২৩ ভোট। প্রায় ১ লাখ ৩ হাজার ৭৪৯ ভোটের এক বিশাল ব্যবধানে জয়ী হয়ে ঐতিহাসিক বিজয় নিশ্চিত করেছেন তিনি।
১৯৯১ সাল থেকে এই আসনে একাধিকবার নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন সৈয়দ মো. ফয়সল। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে হামলা, মামলা আর নানামুখী ষড়যন্ত্রের শিকার হলেও মাঠ ছাড়েননি। স্থানীয়দের মতে, তাঁর এই বিজয় মূলত দীর্ঘ বছরের ধৈর্য এবং ত্যাগের এক ফসল। তাঁর এই স্বচ্ছ ভাবমূর্তি ও সততার প্রতি সম্মান জানিয়েই ভোটাররা এবার উজাড় করে রায় দিয়েছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, এবারের নির্বাচনে সৈয়দ মোঃ ফয়সলের বিজয়ের অন্যতম প্রধান ভিত্তি ছিল চা বাগানভিত্তিক নিবিড় গণসংযোগ। তাঁর ছেলে সৈয়দ শাফকাত আহমেদ দীর্ঘ সময় ধরে ২৮টি চা বাগানের অলিগলিতে ঘুরে শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। চা শ্রমিকদের দুঃখ-কষ্টের কথা শোনা এবং তাদের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেওয়া শ্রমিকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলে। এছাড়া তাঁর অপর ছেলে ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ ও ভাই সৈয়দ মো. শাহজাহান এবং ইঞ্জিনিয়ার মো. হুমায়ূনসহ তাদের পরিবারের প্রত্যেকের বিরামহীন পরিশ্রম ভোটের মাঠে ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে।
সৈয়দ মো. ফয়সলের এই বিশাল বিজয়ের পর এখন হবিগঞ্জবাসীর মনে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। স্থানীয় সুশীল সমাজ ও বিএনপির তৃণমূলের দাবি, একজন সৎ, কর্মঠ ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তির নেতা হিসেবে সৈয়দ মো. ফয়সলকে মন্ত্রিপরিষদে স্থান দেওয়া হোক। সে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন এলাকার জনসাধারণ ও নেতাকর্মী।
প্রধান সম্পাদক: মুন্সী জামিল উদ্দিন প্রকাশক: মোসা মিতা খাতুন
সরকারি মিডিয়াভুক্ত জাতীয় দৈনিক বাংলার দূত
২১৯/১,নূরভবন (২য় তলা), ফকিরাপুল, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০
ফোন নাম্বার : ০১৭১৮৭৫২৯০৯
ইমেইল: dailybanglardoot@gmail.com
সর্ব স্বত্ব সংরক্ষিত এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি,ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যাবহার বেআইনি।
Copyright © 2026 banglar doot. All rights reserved.