
সরাসরি মিশর থেকে আমদানিকৃত জিপসাম নাদিয়া ক্যাল দেশের বাজারে নিয়ে এসে যাত্রা শুরু করেছে আসাদ ট্রেডার্স। দিনাজপুরের বিরল উপজেলার ০৪ নং শহরগ্রাম ইউনিয়নের নাড়াবাড়ী বাজারে মেসার্স আসাদ ট্রেডার্স এর স্বত্ত্বাধিকারী মোঃ আসাদুজ্জামান আমদানী-রপ্তানিকারক এবং সরবরাহকারী। এখন থেকে প্রতিদিন নাদিয়া ক্যাল সর্বত্র সরবরাহ করা হচ্ছে বলে জানান এর আমদানী-রপ্তানিকারক এবং সরবরাহকারী মোঃ আসাদুজ্জামান।
তিনি জানান, সরাসরি মিশর থেকে আমদানিকৃত জিপসাম নাদিয়া ক্যাল দেশের বাজারে যাত্রা শুরু করেছে আসাদ ট্রেডার্স এর মাধ্যমে। গত ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে আামদানী করা হয়েছে এবং এর মোড়কজাত ও বাজারজাত আসাদ ট্রেডার্স করছে। এ পর্যন্ত ৪০০ টন আমদানী করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গের মধ্যে এই প্রথমবার আসাদ ট্রেডার্স জিপসাম নাদিয়া ক্যাল আমদানিকারক এবং বাজারজাতকারক। বিভিন্ন এলাকার ডিলারের মাধ্যমে নাদিয়া ক্যাল জিপসামটি কৃষকের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যাচ্ছে। শুধু বিরল উপজেলায় নয়, দিনাজপুর সদর, বোচাগঞ্জ, কাহারোল, বীরগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও, রাণীশংকৈলসহ বিভিন্ন জেলা এবং উপজেলায় সরবরাহ করছেন আসাদ ট্রেডার্স।
নাদিয়া ক্যাল এর মূল উপাদান ক্যালসিয়াম শতকরা ২০ ভাগ ও সালফার ১৬ভাগ বিদ্যমান। এর প্রয়োগমাত্রা আম, আলু, ধান, গম, ভূট্টাসহ সকল প্রকার তৈল জাতীয় ফসল, ডাল জাতীয় ফসল, শীতকালীন ও গ্রীষ্মকালীন শাক-সবজি, পান, সকল প্রকার ফুল ও ফলে সালফার ও ক্যালসিয়ামের অভাব পূরণের জন্য এবং আশানুরূপ ফলন পেতে নির্ধারিত মাত্রায় ক্যালসিয়াম জিপসাম ব্যবহার করতে হবে। প্রয়োগমাত্রা একর প্রতি ১৫-২০ কেজি নাদিয়া ক্যাল প্রয়োগ করতে হবে। তবে জমিতে ক্যালসিয়াম ও সালফারের অভাবে তাপমাত্রা ভেদে প্রয়োগ মাত্রা কম বা বেশি হতে পারে। প্রয়োগকাল জমি তৈরির শেষ চাষে ছিটিয়ে প্রয়োগ করে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে। ফসলে ক্যালসিয়াম ও সালফারের অভাব দেখা দিলে মাত্রানুযায়ী ক্যালসিয়াম ছিটিয়ে প্রয়োগ করতে হবে। সংরক্ষণ করতে হবে শুল্ক ও ছায়াযুক্ত স্থানে।
প্রধান সম্পাদক: মুন্সী জামিল উদ্দিন প্রকাশক: মোসা মিতা খাতুন
সরকারি মিডিয়াভুক্ত জাতীয় দৈনিক বাংলার দূত
২১৯/১,নূরভবন (২য় তলা), ফকিরাপুল, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০
ফোন নাম্বার : ০১৭১৮৭৫২৯০৯
ইমেইল: dailybanglardoot@gmail.com
সর্ব স্বত্ব সংরক্ষিত এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি,ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যাবহার বেআইনি।
Copyright © 2026 banglar doot. All rights reserved.