
বিরলের ধর্মপুর ইউনিয়নের কামদেবপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে সাময়িক বরখাস্তের একশত আশি কার্যদিবস অতিবাহিত হওয়ায় প্রধান শিক্ষক হিসাবে পুনর্বহাল বা স্বপদে বহালের আবেদন অজ্ঞাত কারণে ফাইলবন্দী রাখার অভিযোগ উঠেছে। সরকারি পরিপত্র আর উচ্চ আদালতের নির্দেশনা যেন কাজির গরু কিতাবে আছে গোয়ালে নেই প্রবাদ বাক্যেরমত রূপ ধারণ করেছে। যার ফলে দীর্ঘ প্রায় ১ বছর যাবৎ বিদ্যালয়টি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।
সাময়িক বরখাস্তকৃত প্রধান শিক্ষক মোঃ সেলিম লিখিত আবেদনে জানান, গত গত ৪ সেপ্টেম্বর-২০২৪ তারিখে ০৫.৫৫.২৭১৭.০০০.১২.০২৭.২৪-১১০০ নং স্মারকে আমাকে প্রধান শিক্ষকের পদ থেকে আমাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। সাময়িক বরখাস্তের ৬০ দিন অতিবাহিত হলে গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা- ২০২৪ অনুচ্ছেদ- ৫৪, প্রবিধান- ১ অনুযায়ী পূর্ণাঙ্গ বেতন-ভাতার জন্য বিদ্যালয়ের সভাপতি তথা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট আবেদন করি। কিন্তু সভাপতি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় আমি মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে ১২৫/২০২৫ রিট পিটিশন দাখিল করি। গত ২৭ জানুযারি- ২০২৫ তারিখে মহামান্য হাইকোর্টে শুনানিঅন্তে গত ০৫ ডিসেম্বর- ২০২৪ তারিখের আবেদন আইন অনুযায়ী নিষ্পত্তির জন্য সভাপতি তথা উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে নির্দেশনা প্রদান করেন। পরবর্তীতে সভাপতি ১২৫/২০২৫ রিট পিটিশনটি নিষ্পত্তি করেন, যা বর্তমানে আমি পূর্ণ বেতন ভাতা পাচ্ছি। আমি ৪ জুন ২০২৫ তারিখে আবারো আবেদন জানালে এবং আমাকে দায়িত্ব না দেয়ায় আবারো মহামান্য হাইকোর্টের ১০৪৯৯ /২০২৫ নং রিট পিটিশন দাখিল করলে উক্ত পিটিশনের আলোকে বিদ্যালয়ের সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে আদেশ প্রাপ্তির ৬০ দিনের মধ্যে বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য বলা হলেও তিনি উক্ত আদেশ অমান্য করে মাউসির নিকট মতামতের নামে কালক্ষেপন করে চলেছেন। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রনালয় কর্তৃক জারীকৃত স্মারক নং-৩৭.০০.০০০০.০৭২.২২.০০১.২৩.১৭৩ নং স্মারকে গত ০৮ আগস্ট- ২০২৪ তারিখের পরিপত্রের মাধ্যমে বলা হয়েছে সাময়িক বরখাস্তের যাবতীয় কার্যক্রম যদি একশত আশি কার্য দিবসের মধ্যে শেষ না হয়, তবে সেই সাময়িক বরখাস্তকৃত উক্ত শিক্ষক স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্বপদে বহাল হবে। যেহেতু একশত আশি কার্যদিবস অতিবাহিত হয়েছে সেহেতু বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে স্বপদে বহাল করতে সভাপতি তথা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদয়ের সু-দৃষ্টি কামনা করছি।
বিদ্যালয়ের সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইন্দ্রজীত সাহা বলেন, উচ্চ আদালতের নির্দেশনা পাওয়ার পর মাউসির নিকট মতামত চেয়ে পত্র প্রেরণ করেছি। মাউসির নির্দেশনা পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ মোকলেসার রহমান জানান, আমরা গত ২১ আগস্ট - ২০২৫ তারিখে গভর্নিং বডির সভা করেছি। সভাপতি মহোদয় আমাকে দায়িত্ব হস্তান্তর করতে বললে আমি দায়িত্ব হস্তান্তর করবো।
প্রধান সম্পাদক: মুন্সী জামিল উদ্দিন প্রকাশক: মোসা মিতা খাতুন
সরকারি মিডিয়াভুক্ত জাতীয় দৈনিক বাংলার দূত
২১৯/১,নূরভবন (২য় তলা), ফকিরাপুল, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০
ফোন নাম্বার : ০১৭১৮৭৫২৯০৯
ইমেইল: dailybanglardoot@gmail.com
সর্ব স্বত্ব সংরক্ষিত এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি,ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যাবহার বেআইনি।
Copyright © 2026 banglar doot. All rights reserved.