
চট্টগ্রাম মহানগরীর বন্দর থানাধীন আনন্দবাজার এলাকায় অবস্থিত প্যাসিফিক হোম মেইড ফুড প্রোডাক্টস নামের একটি বেকারি কারখানায় নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদনের সংবাদ প্রকাশের পর নড়ে-চড়ে বসেছে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলো। পরিবেশ অধিদপ্তর, বিএসটিআইসহ প্রশাসনের বিভিন্ন সংস্থা একের পর এক অভিযানে নেমেছে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে।
অভিযোগ উঠেছে—সংবাদ প্রকাশের পর উল্টো প্রতিবেদকের বিরুদ্ধে চালানো হচ্ছে মিথ্যা অপপ্রচার ও কুৎসা রটনা। সমালোচকদের ভাষায়, এটি যেন “চোরের মায়ের বড় গলা”।
এরই মধ্যে অনুমোদনহীন এ কারখানায় অভিযান চালান এসিল্যান্ড (ভূমি)। অভিযানকালে জরিমানা আদায়সহ বিভিন্ন সতর্কবার্তা প্রদান করা হয়। উপস্থিত পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, প্রতিষ্ঠানটির কোনো বৈধ কাগজপত্র পাওয়া যায়নি এবং সেখানে নোংরা পরিবেশের প্রমাণ মিলেছে। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে শুনানির জন্য কারখানা কর্তৃপক্ষকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
সর্বশেষ গত ২৮ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের উদ্যোগে উক্ত প্রতিষ্ঠানে একটি সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে কারখানার উৎপাদিত পাউরুটি, বিস্কুট ও কেকের লাইসেন্স নবায়ন এবং সর্বদা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। অভিযানে অংশ নেন বিএসটিআই চট্টগ্রাম অফিসের সহকারী পরিচালক (সিএম) শিমু বিশ্বাস ও ফারহানা জাহান পারুল, ফিল্ড অফিসার হাসিবুল হাসান ও সন্দীপন ভট্টাচার্য।
তবে এতসব অভিযানের পরও এখনও মাঠে নামেনি জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এতে সাধারণ মানুষের প্রশ্ন—“কীভাবে চলতে পারে এমন অস্বাস্থ্যকর, নোংরা ও ভেজাল খাদ্য উৎপাদন?”
অনুসন্ধানে জানা গেছে, কারখানার বৈধ মালিকানা নিয়েও রয়েছে নানা জটিলতা ও রহস্য।
এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য জানতে চোখ রাখুন আমাদের পরবর্তী প্রতিবেদনে।
প্রধান সম্পাদক: মুন্সী জামিল উদ্দিন প্রকাশক: মোসা মিতা খাতুন
সরকারি মিডিয়াভুক্ত জাতীয় দৈনিক বাংলার দূত
২১৯/১,নূরভবন (২য় তলা), ফকিরাপুল, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০
ফোন নাম্বার : ০১৭১৮৭৫২৯০৯
ইমেইল: dailybanglardoot@gmail.com
সর্ব স্বত্ব সংরক্ষিত এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি,ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যাবহার বেআইনি।
Copyright © 2026 banglar doot. All rights reserved.