আবু বক্কর সিদ্দিক স্বপন, ঝিনাইদহ :শারদীয় দুর্গোৎসব সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। এ উৎসব ঘিরে সবার মধ্যে থাকে এক বিশেষ আনন্দ, থাকে নতুন পোশাকের প্রত্যাশা। কিন্তু সমাজে অনেক শিশু আছে, যাদের জীবনে উৎসব মানেই কষ্ট, নতুন পোশাকের আনন্দ তাদের জীবনে আসে না। এইসব সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মুখে আনন্দের হাসি ফুটিয়ে তুলতে ঝিনাইদহে মানবকল্যাণমূলক সংগঠন “ইয়ুথ সান” এগিয়ে এসেছে।
আজ মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় ঝিনাইদহ শহরের দেবদারু এভিনিউ এলাকায় সংগঠনটির পক্ষ থেকে প্রায় ৫০ জন শিশুদের হাতে নতুন পোশাক তুলে দেওয়া হয়। শিশুদের হাতে রঙিন জামা-কাপড় পৌঁছে দেওয়ার মুহূর্তে তাদের চোখে-মুখে ঝলমল করে ওঠে উৎসবের আনন্দ। আনন্দে তারা হাসতে হাসতে বাড়ি ফিরে যায়।
সামাজিক কল্যাণমূলক কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে ঝিনাইদহ জেলায় ইতোমধ্যেই পরিচিতি পেয়েছে ইয়ুথ সান। সংগঠনটি মূলত অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে কাজ করে আসছে। শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে এবার তাদের বিশেষ এই উদ্যোগ মানুষের কাছে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।
পোশাক বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা মাকিবুল হাসান বাপ্পি, জেলা আহ্বায়ক সৌভিক পোদ্দার, শোভন সাহা সবুজ, সৌরভ চৌধুরী, অমৃতা বিশ্বাস, জমজম আহমেদ, সুলতান আল এনাম, আরিফ হোসাইন প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ধর্মীয় উৎসব হোক বা অন্য যেকোনো উপলক্ষ—আনন্দ সবার জন্য। সমাজের যেসব শিশু আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারণে নতুন পোশাক কিনতে পারে না, তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
ইয়ুথ সানের প্রতিষ্ঠাতা মাকিবুল হাসান বাপ্পি বলেন, আমরা চাই না কোনো শিশু উৎসবের আনন্দ থেকে বঞ্চিত হোক। তাই আমাদের সাধ্যমতো চেষ্টা থাকে তাদের মুখে হাসি ফোটানোর।
ইয়ুথ সানের সদস্যরা জানিয়েছেন, এই কার্যক্রমকে তারা নিয়মিত করতে চান। শুধু শারদীয় দুর্গোৎসব নয়, ঈদ, রমজানে ইফতার, পহেলা বৈশাখ কিংবা অন্যান্য বিশেষ দিনে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে তাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
প্রধান সম্পাদক: মুন্সী জামিল উদ্দিন প্রকাশক: মোসা মিতা খাতুন
সরকারি মিডিয়াভুক্ত জাতীয় দৈনিক বাংলার দূত
২১৯/১,নূরভবন (২য় তলা), ফকিরাপুল, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০
ফোন নাম্বার : ০১৭১৮৭৫২৯০৯
ইমেইল: dailybanglardoot@gmail.com
সর্ব স্বত্ব সংরক্ষিত এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি,ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যাবহার বেআইনি।
Copyright © 2026 banglar doot. All rights reserved.