একাধিক মামলার আসামি রংপুর জেলার তারাগঞ্জ উপজেলার তিন বার নির্বাচিত সাবেক চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান (৫২) ভারত যাওয়ার সময় বেনাপোল ইমিগ্রেশনে আটক হয়েছে। রোববার (২২ জুন) বিকাল ৫টার সময় তিনি বেনাপোল ইমিগ্রেশনে পাসপোর্ট এর আনুষ্ঠানিকতা করার সময় তার নামে কোন মামলা আছে কি না তা ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ যাচাইকালে মারামারি করার একটি মামলা ধরা পড়ে।
আনিছুর রহমান রংপুর জেলার তারাগঞ্জ উপজেলার ইকোরচালী গ্রামের আ: সাত্তার এর ছেলে। তার পাসপোর্ট নাম্বার এ-১৪৯৯০৫৬১।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন এর উপ-পরিদর্শক জাকারিয়া বলেন, তিনি সহ তার ভাই ভাবি ও ভাতিজা ভারতে চিকিৎসা ভিসায় বেনাপোল ইমিগ্রেশন দিয়ে যাচ্ছিলেন। এসময় তাদের পাসপোর্ট যাচাই বাছাইয়ের সময় তার নামে দেখা যায় মামলা আছে যার মামলা নং -৭ তারিখ ২/১১/২৪, মামলা ধারা ১৪৩/১৪৮/৩২৪/৩২৫/৩২৬/৩০৭/৫০৬ও ১১৪। আসামি আনিছুর এর নামে আরো দুইটি মামলা আছে বলেও তিনি জানান। তবে তার সাথে থাকা অন্য তিনজনের নামে কোন মামলা নাই।
আসামি আনিছুর রহমান জানান, তার এলাকায় অনেক সুনাম আছে। আমি তিনবার তারাগঞ্জ উপজেলা থেকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছে। আমি সাধারন একজন আওয়ামীলীগের সদস্য। জনগন ভালবেসে আমাকে তিনবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছে। এসময় তিনি কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।
তার সাথে থাকা ভাতিজি আসিফ আরশি বলেন, তার চাচা একজন সৎ জনপ্রতিনিধি। তিনি অসুস্থ। তাকে আমরা চিকিৎসার জন্য ভারত নিয়ে যাচ্ছি। তার নামে যে মামলা আছে তা আমরা জানিও না। তিনি এলাকায় সকলের কাছে গ্রহন যোগ্য একজন জনপ্রতিনিধি। তিনি বার বার ওই উপজেলা থেকে সতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়েছে।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন ওসি ইলিয়াছ হোসাইন মুন্সি বলেন, আসামি আনিছুর রহমান এর নামে মামলা রয়েছে। তার ডাটাবেজ যাচাই বাছাইয়ে ধরা পড়ে। তাকে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
বেনাপোল পোর্ট থানা ওসি মো: রাসেল মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন আসামিকে তার নিজ থানা তারাগঞ্জে হস্তান্তর করা হবে।
প্রধান সম্পাদক: মুন্সী জামিল উদ্দিন প্রকাশক: মোসা মিতা খাতুন
সরকারি মিডিয়াভুক্ত জাতীয় দৈনিক বাংলার দূত
২১৯/১,নূরভবন (২য় তলা), ফকিরাপুল, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০
ফোন নাম্বার : ০১৭১৮৭৫২৯০৯
ইমেইল: dailybanglardoot@gmail.com
সর্ব স্বত্ব সংরক্ষিত এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি,ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যাবহার বেআইনি।
Copyright © 2026 banglar doot. All rights reserved.