জনাব এম এ মালেক লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের হাজী চুন্নী হাওলাদার বাড়ির এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মুনসুর আহমেদ একজন সরকারি কর্মচারী ছিলেন। তার মা রত্নগর্ভা আশুরা বেগম। পুরো লক্ষ্মীপুর জেলার মধ্যে তাদের পরিবার অন্যতম শিক্ষিত পরিবার। তার আপন বড় ভাই আবদুল মতিন সহকারী জজ ছিলেন। আরেক ভাই ডা. জাকির হোসেন লক্ষ্মীপুর সদর হাসাপাতালের এর আর এম ও ছিলেন। আরেক ভাই বুয়েট থেকে পাস করা ইঞ্জিনিয়ার আহসান টেলু, আরেক ভাই বুয়েট থেকে পাস করা ইঞ্জিনিয়ার শাহজাহান, বড় ভাই আবদুল গোফরান ভূমি কর্মকর্তা ছিলেন। তার সব গুলো বোন উচ্চ শিক্ষিতা।তার বড় বোনের মেয়ে আমেরিকাতে সরকারি ভাবে বসবাস করছে ডক্টর শাহেনা বড় তারা সবাই ওই দেশের নাগরিক। ছোট বোন স্কুল শিক্ষক,
এম এ মালেক
সমসেরাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তার প্রাথমিক শিক্ষার হাতেঘড়ি।পরে লক্ষ্মীপুরের তৎকালীন ঐতিহ্যবাহি মডেল হাই স্কুল থেকে তিনি কৃতিত্বের সাথে এস এস পাস করেন। তিনি চৌমুহনী এস এ কলেজ থেকে ইন্টারমেডিয়েটে ও স্নাতক পাস করেন। পরে ঢাকা টিচার্স ট্রেনিং কলেজ থেকে বিএড সমাপ্ত করেন। তিনি ঢাকা টিচার্স ট্রেনিং কলেজ ছাত্র সংসদের ১৯৭৫- ৭৬ সালের নির্বাচিত জি এস ছিলেন।
বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী এম এ মালেক ও প্রবীণ সাংবাদিক গোলাম রহমান মিলে ১৯৮১ সালে লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠা করেন। তাদের ও অন্যন্য প্রবীণ সাংবাদিক দের অক্লান্ত পরিশ্রম এর ফসল আজ আমাদের প্রান প্রিয় প্রতিষ্ঠান লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাব। তাদের শ্রমে ঘামে প্রতিষ্ঠিত এ ক্লাবে এখন ইলেকট্রনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়ায় ৯২ জন সাংবাদিক অত্যন্ত সুনাম ও দক্ষতার সাথে কাজ করে আসছেন।
জনাব এম এ মালেক দোসাইদ সাভার একে হাই স্কুল উচ্চ বিদ্যালয় ও সিলেট এর ছাতকের এ কে উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক ছিলেন। পরে তিনি সমসেরাবাদ নিজের প্রতিষ্ঠিত প্রগতি হাই স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। কলেজে এ পড়া অবস্হায় তিনি সাংবাদিকতা পেশায় জড়িয়ে পড়েন। যা তার শিক্ষকতা পেশাকে ছাড়িয়ে যান। লক্ষ্মীপুর সহ পুরো দেশে তার সুনাম ও সুখ্যাতি ছড়িয়ে পড়েন। চৌমুহনী এস এ কলেজ পড়া কালীন তিনি দৈনিক পূর্ব দেশ, দৈনিক বাংলা, দৈনিক কিসান,দৈনিক দেশ বাংলায় অত্যন্ত সুনাম ও দক্ষতার সাথে কাজ করেন। পরে তিনি লক্ষ্মীপুর থেকে প্রকাশিত দৈনিক লক্ষ্মীপুর কন্ঠ, দৈনিক আল চিশত পএিকার সম্পাদক ছিলেন।
According to the information received from late MA Malek and his colleague s,he was founding General Secretary and life member of Lakshmipur press club. He was also served as the president of Districts Reporters Unity, Secretary of the Chamber Of Commerce, President Of the Managing Committee Of Collegiate High School, Lakshmipur. He served as the Bureau Chief Of the National Daily Bhorer Pata till the end of his life.
এম এ মালেক এর সম্পর্কে লিখতে হলে পুরো একটি বই হয়ে যাবে।
তার পরও তার সময়কার কয়েকজন সিনিয়র সাংবাদিক উদ্ধৃতি দিচ্ছি।
সম্পাদক এম এ মান্নান ভুইয়া বলেন জনাব এম এ মালেক ছিলেন একটা ডিকশনারি। তার জানার পরিধি ছিল ব্যাপক। তার লেখার গাঁথুনি ছিল এক কথায় অসাধারণ। সিনিয়র সাংবাদিক সেলিম উদ্দিন নিজামী বলেন এম এ মালেক এর লেখা পড়া জানা সাংবাদিক এ দিনে বিরল। জনাব আজিজুল হক বলেন এম এ মালেক ভাই ছিলেন সৎ ও সাহসী সাংবাদিক। সিনিয়র সাংবাদিক গোলাম রহমান আমি এবং এম এ মালেক মিলে ১৯৮১ সালে লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠা করেছি। তার মত বহুমুখী প্রতিভার মানুষ আমি কম দেখেছি।
তার বড় সন্তান নাজিম উদ্দীন রানা যিনি বর্তমান লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাবের প্রচার সম্পাদক বলেন আমার বাবা ছিলেন একজন সৎ, শিক্ষিত ও সাদা মনের মানুষ। বাবা আমাদের সব ভাই বোনকে সব সময় সৎ থাকার উপদেশ দিতেন। এবং বলতেন সততাই মানুষ এর সব ছেয়ে বড় পুজি। তার আরেক সন্তান আমজাদ হোসেন, বার্তা সম্পাদক দৈনিক মানব কল্যাণ পএিকায় কর্মরত বলেন বাবার হাত ধরেই আমাদের সাংবাদিকতার হাতে ঘড়ি। আমজাদ তার বাবা সম্পর্কে বলেন আমার বাবার মত এত পড়ালেখা জানা লোক ও সৎ মানুষ বর্তমান সময় বিরল। আমরা লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাবের সকল সাংবাদিক মহান আল্লাহ পাক এর নিকট দোয়া করি মহান আল্লাহ তায়ালা যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদৌসের উঁচু মাকাম দান করেন।
প্রধান সম্পাদক: মুন্সী জামিল উদ্দিন প্রকাশক: মোসা মিতা খাতুন
সরকারি মিডিয়াভুক্ত জাতীয় দৈনিক বাংলার দূত
২১৯/১,নূরভবন (২য় তলা), ফকিরাপুল, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০
ফোন নাম্বার : ০১৭১৮৭৫২৯০৯
ইমেইল: dailybanglardoot@gmail.com
সর্ব স্বত্ব সংরক্ষিত এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি,ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যাবহার বেআইনি।
Copyright © 2026 banglar doot. All rights reserved.