(বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে খন্দকার টুকু ও মনির বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রমাণ গ্রামবাসীর সাক্ষাৎকার এবং অন্যের বাড়ি ও সম্পত্তি মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে এবং তিতাসের সংযোগের নামে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়াসহ বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত থাকলেও অদৃশ্য শক্তির ইশারায় এখনও রয়েছে অধর
রাজধানী মাদারটেক উত্তর জোরপাড়া আব্দুল আজিজ স্কুলের পিছনে দিনে দুপুরে একজন প্রবাসীর ফ্ল্যাটবাড়ি দখলের চেষ্টা ও ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে অনুসন্ধান করে জানা যায়, একটি কুচক্রীমহল অনেকদিন যাবৎ সজিব আহম্মেদ এর ভগ্নিপতি ফয়েজ আল কবিরের (জার্মান প্রবাসী) পৈত্রিকসূত্রে মালিকানাপ্রাপ্ত ফ্ল্যাটবাড়িটি অবৈধভাবে দখল করার চেষ্টা চালিয়ে আসছে। সবুজবাগ থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করা হয়। তাহার নং-১০৮২, তারিখ: ২১-১০-২০২৪ ইং।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকার আমলে খন্দকার টিপুর বাহিনীর অভিযোগ তার প্রমাণ গ্রামবাসীর সাক্ষাৎকার এবং সাক্ষাৎকারে উঠে এসেছে অন্যের বাড়ি যখন মামলা দিয়ে তাড়িয়ে দেওয়া হয় হুমকি তিতাসের নাম করে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া নানান অভিযোগের অভিযুক্ত টুকু বাহিনী যার প্রদান আপন ভাই খন্দকার মনির হোসেন ডাকাতি করেছেন তাই জমি দখল নানাবিধ কাজ করে আসছেন আওয়ামী লীগের আমলে যার প্রমাণ রূপগঞ্জবাসীর নানা অভিযোগে অভিযুক্ত।
বিগত দিনের ইতিহাস অনুসন্ধানে জানা যায় ২০১৮ ইং সালে রূপগঞ্জে পুলিশ ও এলাকাবাসীর রাতভর অভিযানে আওয়ামী লীগ নেতা আবুল বাশার টুকুর বাড়ি থেকে চুরির সরকারি চাউল উদ্ধার হয়।
আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার দেশ পালানোর পর পরই উঠে আসেন ঢাকায় খন্দকার মনির সেখানেও তার অরাজকতার বহিঃপ্রকাশ মিলেছে সবুজবাগ থানা মাদারটেক আব্দুল আজিজ স্কুলের পশ্চিম পাশে মাদারটেক উত্তরপাড়া জার্মান প্রবাসী ফয়েজ আল কবীরের বাড়ি হামলা এমনকি সেখানকার সাবেক বিএনপি কমিশনারের পরিচয় দিয়ে বিএনপি প্রবেশ করে সৃষ্টি করে যাচ্ছে এলাকার মানুষকে এবং তার আয়ের উৎস খুঁজে পাওয়া যায়নি এমনকি বড় কোন নেতার বেয়াই হিসেবে পরিচয় দিয়েও তিনি দাপটে ত্রাস করে যাচ্ছেন বাসাবো সবুজ বাগ থানায়।
এ বিষয়ে সজিব আহম্মেদ এর সাথে কথা হলে তিনি জানান আমার ভগ্নিপতি অনেকদিন যাবৎ জার্মানীতে থাকে। তিনি মাদারটেকে নিজের পৈত্রিক সম্পত্তিতে তিনতলা বাড়ি করে দখলদার থাকা অবস্থায় ভোগ দখল করিতেছে। তিনি স্বপরিবারে ইতালি বসবাস করে। উপরোক্ত বাড়ী নিয়ে বিবাদী (১) খন্দকার মনির হোসেন (৫৮) পিং-খন্দকার শুক্কুর মাহমুদ (২) কামরুননাহার খন্দকার (৪৫) স্বামী: খন্দকার মনির হোসেন সাং-৩০/এ/১ মাদারটেক চৌরাস্তা ফ্লাট নং-২০১, (৩) নাজমুননাহার (৫৩) স্বামী-আমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া সাং-২১/১ উত্তর মাদারটেক থানা-সবুজবাগ, ঢাকা গনের সাথে বিজ্ঞ আদালতে মামলা চলিতেছে । ১ ও ২ নং বিবাদী দ্বয় অদ্য ইং ২১/১০/২৪ তারিখ সকার ১০.৩০ ঘটিকার সময় অজ্ঞাত নামা ১২/১৩ লোকজন লোক নিয়ে উপরোক্ত ঠিকানার বাড়ীতে যাইয়া বাড়ীর তালা ভাঙ্গিয়া বাড়ীতে প্রবেশ করে। ফ্লাটের তালা ভাঙ্গিয়া জিনিসপত্র নষ্ট করে। বাড়ীর সামনে উক্ত বাড়ী নিয়ে আদালতে মামলা চলিতেছে বলিয়া একটি সাইনবোর্ড লাগাইয়া রেখে যায় আমি ঘটনার বিষয়ে জানতে পারিয়া আমার ভগ্নিপতি কে ঘটনার বিস্তারিত জানাইলে আমাকে উক্ত বিষয়ে থানায় আসিয়া ডাইরী করার জন্য বলেন। এ বিষয়ে ফয়েজ আল কবির ছুটিতে বাংলাদেশে আসলে সংবাদের প্রতিবেদকের সাথে কথা হলে তিনি জানান, সম্পত্তিটি আমার বাবা আমাকে দালিলিকভাবে দান করলে আমি মিউটেশন করিয়ে খাজনা খারিজ করে অনেকদিন যাবৎ বসবাস করে আসিতেছি। একটি কুচক্রীমহলের সাথে জমির মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ বিজ্ঞ আদালদে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় সম্পূর্ণ অবৈধভাবে আমাকে এবং আমার পরিবারকে হত্যাকরিবার উদ্দেশ্যে আসিয়া আল্লাহর রহমতে তারা ব্যর্থ হয়ে আমার বাড়ি ঘর ভাংচুর করিয়া বিষয়টিকে অন্যখাতে নেওয়ার প্রয়াসে আদালতের মামলা সংক্রান্ত উল্লেখ করে বাড়ির সামনে সাইনবোর্ড লাগিয়ে শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করতেছে। আমি সাংবাদিক ভাইদের মাধ্যমে স্থানীয় প্রশাসনসহ মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা জ্ঞাতার্থে জানাতে চাই, রাজধানী ঢাকা সহ সারাদেশে উল্লেখিত সাধারণ ডায়েরী বিবাদিরা ছাড়া আমার কোন শত্রু নেই। এরা যেকোন সময় আমাকে জানে মেরে ফেলতে পারে। এরকম কোন ঘটনা ঘটলে এরাই হবে। আমাকে হত্যার প্রধান আসামী। আপনাদেরকে আরও জানাতে চাই, সাধারণ ডায়েরীর বিবাদীদের প্রধান কাজই হচ্ছে, অন্যের জমি সম্পত্তি জাল দলিল পত্র করে হাতিয়ে নেওয়ার পায়তারার সৃষ্টি করে মিথ্যা মামলা সৃজন করে অবৈধভাবে হাতিয়ে নেয় অর্থ। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে এসব দুর্বৃত্তরা ছাত্র জনতার হত্যার সাথেও জড়িত ছিল। কারণ এরাই ছিল আওয়ামী হাইব্রিড বর্তমানে বোল পাল্টিয়ে নিজেদেরকে বিএনপির সমর্থক বলে নিজেদেরকে আত্মপ্রকাশ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
এবিষয় নিয়ে আগামী পর্বে খন্দকার মনির গংসহ তাদের অবৈধ আয়ের উৎস, অপকর্ম সব কিছু নিয়ে থাকবে খবরের পিছনের খবর, চোখ রাখুন
প্রধান সম্পাদক: মুন্সী জামিল উদ্দিন প্রকাশক: মোসা মিতা খাতুন
সরকারি মিডিয়াভুক্ত জাতীয় দৈনিক বাংলার দূত
২১৯/১,নূরভবন (২য় তলা), ফকিরাপুল, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০
ফোন নাম্বার : ০১৭১৮৭৫২৯০৯
ইমেইল: dailybanglardoot@gmail.com
সর্ব স্বত্ব সংরক্ষিত এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি,ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যাবহার বেআইনি।
Copyright © 2026 banglar doot. All rights reserved.